ব্যুরো নিউজ, ১ অক্টোবর ২০২৬: সোনার হলমার্কিং চার্জ বৃদ্ধি পাওয়ায় জালিয়াতির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জেম অ্যান্ড জুয়েলারি ডোমেস্টিক কাউন্সিল (জিজেসি)।
সম্প্রতি হলমার্কিং ফি প্রতি আর্টিকেলে ৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ৭৫ টাকা হয়েছে, যা প্রায় ৬৬.৬৭ শতাংশ বৃদ্ধি। এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে অসাধু গয়না ব্যবসায়ীরা জাল হলমার্কিং স্ট্যাম্প ব্যবহার করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ছোট শহরগুলিতে, যেখানে ক্রেতাদের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে, সেখানে এই জালিয়াতির ঝুঁকি বেশি।
অনেক ক্রেতাই জানেন না যে ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস (বিআইএস)-এর ‘বিআইএস কেয়ার’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে হলমার্ক ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন (HUID) নম্বর যাচাই করা যায়। জিজেসি-র চেয়ারম্যান রাজেশ রোকদে জানিয়েছেন, দেশের মাত্র ১০ শতাংশ জেলায় এই অ্যাপ সম্পর্কে পর্যাপ্ত সচেতনতা রয়েছে।
জিজেসি ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় গ্রাহক বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী এবং বিআইএস-এর কাছে আবেদন জানিয়েছে যাতে পূর্বের ৪৫ টাকা ফি পুনরুদ্ধার করা হয়। কাউন্সিলের মতে, এই বর্ধিত ফি শিল্পে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা এবং জিএসটি বাবদ ৮০ কোটি টাকার অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা চাপাবে। এছাড়াও, হলমার্কিং-এর সময়সীমা ৬ ঘণ্টা থেকে বেড়ে ২৪-৩৬ ঘণ্টা হওয়ায় গয়না ব্যবসায়ীদের কার্যনির্বাহী মূলধন দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকছে, যা তাদের খরচ বাড়াচ্ছে।
বিআইএস হলমার্কিং হল সোনার বিশুদ্ধতা যাচাইয়ের একটি পদ্ধতি, যেখানে বিআইএস লোগো, ক্যারেট বা মিলিসিমাল ফাইননেস এবং একটি ছয়-সংখ্যার HUID নম্বর থাকে। ক্রেতাদের গয়না কেনার আগে এই বিষয়গুলি যাচাই করে নেওয়া উচিত।







