বাংলাদেশে ইসকনের অফিস বন্ধ, সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার দাবিতে উত্তেজনা

বাংলাদেশে ইসকনের অফিস বন্ধ

Share:

ব্যুরো নিউজ,২৮ নভেম্বর:বাংলাদেশে সম্প্রতি ইসকনের একটি অফিস জোরপূর্বক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ঢাকা ডিভিশনের মাদারিহাট জেলার শিবচর উপজেলায়, টিএনটি মোড় এলাকায় ইসকনের অফিসটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।অফিসের সামনে থাকা ইসকন প্রতিষ্ঠাতা স্বামী প্রভুপাদের ছবি সহ বোর্ডও নামিয়ে দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, সেখানকার ভক্তদের সেনার গাড়িতে করে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।বাংলাদেশে ইসকনের বিরুদ্ধে এ ধরনের পদক্ষেপের পাশাপাশি সম্প্রতি দেশটির ঢাকা হাই কোর্টে ইসকনকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে,যেটি গ্রহণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের সরকারের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে যে, তারা ইসকনকে একটি কট্টরপন্থী ধর্মীয় সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করছে। এই পরিস্থিতিতে ইসকনের প্রতি সরকার ও প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

মঙ্গলগ্রহে মানবমূর্তি? পারসিভিয়ারেন্স রোভারের ছবি নিয়ে নতুন রহস্য

নাগরিকের অধিকার সুরক্ষিত


গত কিছুদিন ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে, হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারি এবং তার পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে সবার মধ্যে আতঙ্ক ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতার করার পর, তার সমর্থকরা বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ জানাচ্ছে, এবং এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশে এক উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।ইসকন বাংলাদেশ, এই পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, তারা সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছে, যেন বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের সাংবিধানিক অধিকার ও সুরক্ষা দেওয়া হয়। তারা আশা করছে যে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সনাতনীদের উদ্বেগ নিরসন করবে এবং দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা বজায় রাখবে।

বাংলাদেশে নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যঃ কি বললেন তিনি?

অপরদিকে ইসকন বাংলাদেশ আরো জানিয়েছে, তারা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারি এবং সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। তারা দাবি করেছে, সরকার যেন হামলাকারীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি প্রদান করে এবং সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করে।এছাড়া, ইসকনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, তারা চায় বাংলাদেশের সব সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তি বজায় থাকুক এবং সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে যেন তারা সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং অধিকার রক্ষায় কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়।বাংলাদেশে সনাতনী সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার জন্য ইসকন এককভাবে কাজ করতে প্রস্তুত। তারা সরকারের কাছে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছে, যাতে দেশের সব নাগরিকের অধিকার সুরক্ষিত থাকে।

https://youtu.be/MkHAbpxbC6s?si=cFicBXgose-5uml3