ব্যুরো নিউজ, ২ জুন ২০২৬ঃ রাজ্যে বিধানসভা ভোটে হারের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অস্থিরতা ক্রমশ বাড়ছে। কাউন্সিলরদের পদত্যাগ থেকে শুরু করে দলের অভ্যন্তরে ফাটলের খবর শিরোনামে উঠে আসছে বারবার। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবারই বড়সড় কিছু ঘটতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা চলছে।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধরনায় বসার পাশাপাশি প্রায় ৫০ জন বিধায়ক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে স্পিকারের কাছে একটি রেজুলিউশন জমা দিতে পারেন। নিজেদের প্রকৃত তৃণমূল বলে দাবি করে এই বিধায়করা দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক চরম সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মহারাষ্ট্রে উদ্ধব ঠাকরের হাত থেকে দলের রাশ চলে যাওয়ার ঘটনার সঙ্গে এই পরিস্থিতিকে তুলনা করা হচ্ছে।
প্রশ্ন উঠছে, মমতার হাত থেকেও কি দলের নিয়ন্ত্রণ চলে যেতে পারে? ইতিমধ্যেই সই জালিয়াতির অভিযোগে সোমবার দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা। এর ফলে তৃণমূলের মোট বিধায়ক সংখ্যা কমে ৭৮-এ দাঁড়িয়েছে। কুণাল ঘোষ বহিষ্কৃতদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে তোপ দেগেছেন। অন্যদিকে, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিষেক সহ একাধিক বিধায়কের বাড়িতে সিআইডি হানা দিচ্ছে।
এই কঠিন সময়ে বিজেপি দল ভাঙার চেষ্টা করলেও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম না করে তিনি সিপিএম থেকে আসা কিছু নেতার বিশ্বাসঘাতকতার কথা উল্লেখ করে বলেন, তাঁদের টিকিট দেওয়াটা ভুল ছিল। মানুষের কাছে এই ‘বিশ্বাসঘাতক’দের টিকিট দেওয়ার জন্য এদিন তিনি ক্ষমাও চেয়ে নেন। দলের এই অভ্যন্তরীণ সংকট রাজ্য রাজনীতিতে নতুন মোড় আনতে চলেছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।








