ব্যুরো নিউজ , ১১ জুন ২০২৬ : আন্তর্জাতিক শান্তি গবেষণা সংস্থা সিপ্রি (SIPRI)-র ২০২৬ সালের বার্ষিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারত তার পারমাণবিক নীতিতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। প্রথমবারের মতো, দেশটি ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেডকে ‘অপারেশনাল ডেপ্লয়মেন্ট’ বা সক্রিয় মোতায়েনের আওতায় এনেছে। এতদিন শান্তিকালীন অবস্থায় ওয়ারহেড ও ক্ষেপণাস্ত্র আলাদাভাবে সংরক্ষণ করার নীতি ছিল ভারতের। কিন্তু এখন কিছু অস্ত্র দ্রুত ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
সিপ্রির প্রতিবেদন অনুসারে, এই ১২টি ওয়ারহেড বর্তমানে ডেলিভারি সিস্টেমের সাথে সরাসরি যুক্ত, যা প্রয়োজনে অল্প সময়ের মধ্যে ব্যবহারের সুযোগ করে দেবে। এগুলি ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি বা পারমাণবিক সাবমেরিনে মোতায়েন থাকতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি ভারতের পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে। জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ভারতের মোট পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা ১৯০-এ পৌঁছেছে, যা গত বছরের তুলনায় ১০টি বেশি। চীনের সামরিক সম্প্রসারণ এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কৌশলগত প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ভারত তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করছে। তবে, ভারত ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ নীতিতে অটল রয়েছে।
অর্থাৎ, নিজে থেকে প্রথম পারমাণবিক হামলা চালাবে না, কিন্তু পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা বজায় রাখবে। এই পদক্ষেপ ভারতের প্রতিরোধমূলক কৌশলকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছে।







