ব্যুরো নিউজ, ১৪ জুন ২০২৬ঃ বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের রামপুরে শালি নদীর উপর দীর্ঘদিনের ভগ্নপ্রায় সেতুর সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হলেন রাজ্যের নব নিযুক্ত প্রতিমন্ত্রী দিবাকর ঘরামি। রবিবার বাঁকুড়ার জেলাশাসক অনীশ দাশগুপ্ত-সহ অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে তিনি ওই ভাঙা সেতুটি পরিদর্শনে যান এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সেতুটি রামপুর এলাকার পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রায় ৫০টি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র পথ। দীর্ঘদিন ধরে ভগ্নদশায় থাকা এই সেতু দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো গ্রামবাসীদের। বর্ষাকালে শালি নদী ফুঁসে উঠলে সেতুটি জলের তলায় চলে যেত, ফলে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ত। সে সময় গ্রামবাসীদের প্রায় ৩০ কিলোমিটার ঘুর পথে যাতায়াত করতে হতো, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলত।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ, আগের সরকারের আমলে একাধিকবার স্থায়ী সেতুর দাবি জানানো হলেও কোনো সুরাহা মেলেনি। রাজ্যে পালাবদলের পর সোনামুখীর বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি মন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হওয়ায় স্থানীয়রা আশায় বুক বাঁধছেন। মন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পরেই বৃষ্টি উপেক্ষা করে তিনি রামপুরের ভগ্ন ব্রিজ পরিদর্শনে যান। পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী দিবাকর ঘরামি বলেন, “বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মহলে জানানো হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব প্ল্যান করে এই ব্রিজ নির্মাণ হবে।”
বাঁকুড়ার জেলাশাসক অনীশ দাশগুপ্ত জানান, “ব্রিজের এমন খারাপ অবস্থা আমাদের জানা ছিল না। মন্ত্রী মহোদয় বিষয়টি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে আলোচনা করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে।” এই উদ্যোগের ফলে স্থানীয়দের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।








