ব্যুরো নিউজ, ১৮ জুন ২০২৬ঃ আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের নৃশংস ঘটনার তদন্তে নতুন করে গতি এনেছে সিবিআইয়ের বিশেষ তদন্তকারী দল। ২০২৪ সালের ৯ আগস্টের সেই অভিশপ্ত রাতের ঘটনাপ্রবাহ খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আতশকাচের তলায় এসেছে পানিহাটি শ্মশানের ভূমিকা।
এই আবহেই এবার আরজি কর কাণ্ডে তথ্যপ্রমাণ লোপাট ও ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের সরাসরি গ্রেফতারি দাবি করলেন রাজ্যের বর্তমান পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।
নির্মল ঘোষের জিজ্ঞাসাবাদের মধ্যেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে অগ্নিমিত্রা বলেন, “ওই মেয়েটির আত্মা এখনও বিচারের আশায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। যে কোনও মূল্যে তাঁকে সঠিক বিচার দিতেই হবে। একা সঞ্জয় রায়ের পক্ষে এই নৃশংস কাজ করা কোনওভাবেই সম্ভব নয়। পুরো ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার পিছনে প্রভাবশালী মহলের বড় হাত রয়েছে।”
তাঁর দাবি, ঘটনার রাতে যারা যারা মেয়েটির সঙ্গে ছিল, তাদের তো গ্রেফতার করে জেরা করা উচিতই, সঙ্গে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৎকালীন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলকেও অবিলম্বে গ্রেফতার করা হোক। এদের দুজনকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করলেই আসল সত্যিটা সামনে আসবে বলে তিনি মনে করেন।
অন্যদিকে, পানিহাটি শ্মশানে দীর্ঘক্ষণ ধরে চিরুনি তল্লাশি ও অনুসন্ধান চালানোর পর বৃহস্পতিবার সকালে সিবিআইয়ের বিশেষ তদন্তকারী দলের মুখোমুখি হয়েছেন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। আরজি করের ঘটনার দিন তড়িঘড়ি নির্যাতিতার মরদেহ সৎকার করার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা নিয়ে মৃতার পরিবারের তরফ থেকে একাধিক গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছিল। হাইকোর্টের নির্দেশে পুনর্তদন্তের অংশ হিসেবেই সিবিআই এখন শ্মশান চত্বরের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ জোগাড় করতে চাইছে।








