ব্যুরো নিউজ, ১৯ জুন ২০২৬ঃ বলিউড অভিনেতা শেখর সুমনের জীবনে নেমে এসেছে এক গভীর শোকের ছায়া, যা আজও তাঁকে তাড়া করে বেড়ায়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি তাঁর বড় ছেলে আয়ুষ সুমনের অকাল প্রয়াণের হৃদয়বিদারক গল্প তুলে ধরেন। মাত্র ১১ বছর বয়সে এক বিরল হৃদরোগ, ‘হার্ট ফাইব্রোসিস’-এ আক্রান্ত হয়ে আয়ুষের মৃত্যু হয়। এই রোগটি এতটাই বিরল ও গুরুতর ছিল যে চিকিৎসকরাও আরোগ্য সম্ভব নয় বলে জানিয়েছিলেন।
শেখর জানান, প্রথমে তাঁর চিকিৎসক বাবাই আয়ুষের লিভার অস্বাভাবিকভাবে বড় দেখতে পান। এরপর মুম্বইয়ে পরীক্ষার পর রোগটি ধরা পড়ে, যা শুনে শেখর ও তাঁর পরিবার স্তম্ভিত হয়ে যান। ছেলের মৃত্যুর ১৪ বছর পেরিয়ে গেলেও শেখর ও তাঁর স্ত্রী অলকা আজও আয়ুষকে ভোলেননি। তাঁদের কথায়, তাঁরা প্রতিদিনই আয়ুষকে মনে করেন, তার ছবির সঙ্গে কথা বলেন এবং তার উপস্থিতি অনুভব করেন। শেখর দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, আয়ুষ তাঁদের আশেপাশেই আছে, শুধু শারীরিকভাবে উপস্থিত নয়। অনেকেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে আয়ুষ আবার তাঁদের পরিবারে ফিরে আসবে, আর শেখরেরও মনে হয়, ছোট ছেলে অধ্যয়ন সুমনের সন্তানের রূপে সে ফিরে আসতে পারে।
তিনি বলেন, “আমি ওর উপস্থিতি অনুভব করি, মনে হয় ওর কণ্ঠস্বরও শুনতে পাই।” অভিনেতা আরও একটি অলৌকিক ঘটনার কথা উল্লেখ করেন। ২০০৯ সালে অলকা যখন বারাণসীর কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে ছিলেন, তখন এক ভিক্ষুক এসে আয়ুষের মতোই ভঙ্গিতে কথা বলেন এবং মুহূর্তের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে যান। অলকা এটিকে আয়ুষের ‘দর্শন’ বলে মনে করেন। এই গভীর ব্যক্তিগত শোকের মধ্যেই শেখর সুমন তাঁর জনপ্রিয় টক শো ‘মুভার্স অ্যান্ড শেকার্স’-এর নতুন ডিজিটাল সংস্করণ ‘শেখর টুনাইট’ নিয়ে ফিরেছেন, যা তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে সম্প্রচারিত হচ্ছে এবং এটি তৈরি করেছেন তাঁর ছেলে অধ্যয়ন সুমন।








