নিউজ ব্যুরো, ২২ জুন ২০২৬: রাজ্যে বিজেপি সরকারের প্রথম বাজেট পেশ হল সোমবার। বিধানসভায় এই বাজেট পেশের পর স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে আলোচনা। তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বাজেট পেশের বেশ কয়েক ঘণ্টা পরেও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিষয়ে সম্পূর্ণ নীরব। তাঁর দলের কোনও নেতাকেও এ নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে দেখা যায়নি।
এই পরিস্থিতিতে, বিরোধী স্বর হিসেবে উঠে এলেন ‘আসল তৃণমূল’-এর দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিই প্রথম বিজেপি সরকারের বাজেট নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। সাংবাদিক বৈঠক করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই বাজেট জনবিরোধী এবং রাজ্যের সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করতে ব্যর্থ। তাঁর মতে, শাসকদল মানুষের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে এবং এই বাজেট কেবল কিছু নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সুবিধা করে দেবে। সাধারণত, সরকারের বাজেট পেশের পর বিরোধী দলনেতা বা শাসকদলের প্রধানের কাছ থেকে প্রথম প্রতিক্রিয়া আশা করা হয়।
গত ফেব্রুয়ারিতে যখন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ করেছিলেন, তখন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তার তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। কিন্তু এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই নীরবতা রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনার জন্ম দিয়েছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সরব অবস্থান বুঝিয়ে দিল, ‘আসল তৃণমূল’ নিজেদেরই প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে। এই ঘটনা রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।








