অন্তঃসত্ত্বাকে লাথি মারার অভিযোগ, বোলপুরে গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়

বোলপুরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করল পুলিশ। ২০২১ সালে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে পেটে লাথি মারার অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Share:

নিউজ ব্যুরো, ২৬ জুন ২০২৬: এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে পেটে লাথি মারার গুরুতর অভিযোগে অবশেষে গ্রেফতার হলেন বোলপুরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার বোলপুর থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসার সময় এই ঘটনা ঘটেছিল বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বিশ্বজিৎকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বোলপুরে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনায় বিশ্বজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে পেটে লাথি মারার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগকারী মহিলা দাবি করেছিলেন, রাজনৈতিক বিবাদের জেরে তাঁকে নির্মমভাবে আক্রমণ করা হয় এবং তাঁর পেটে লাথি মারা হয়। এই ঘটনায় বোলপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। দীর্ঘ তদন্ত এবং সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে এবার সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই তৃণমূল কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করা হল।

এই গ্রেফতারি শাসক দলের জন্য একটি অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। গ্রেফতারের পর বৃহস্পতিবারই বিশ্বজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বোলপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। আদালত তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বোলপুর শহরে নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক মহলেও এই গ্রেফতারি নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। শাসক দলের এক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ এবং তার প্রেক্ষিতে গ্রেফতারি রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং বিশ্বজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই গ্রেফতারিকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং ন্যায়বিচারের দাবি তুলেছেন।