ব্যুরো নিউজ, ১৫ জুলাই ২০২৬ঃ ১৩ বছর পেরিয়েও অধরা কামদুনি কাণ্ডের বিচার। ২০১৩ সালের সেই ভয়াবহ ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার স্মৃতি আজও তাড়া করে বেড়ায় উত্তর ২৪ পরগনার কামদুনিকে। দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে বিচারপ্রক্রিয়া চললেও মামলার নিষ্পত্তি না হওয়ায় ফের সরব হয়েছেন নির্যাতিতার পরিবার। বুধবার মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবারে’ পৌঁছলেন কামদুনিকাণ্ডের দুই প্রতিবাদী মুখ মৌসুমি কয়াল ও টুম্পা কয়াল। সিআইডি তদন্ত এবং মামলার অগ্রগতিতে গাফিলতির অভিযোগ তুলে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন।
পরিবারের অভিযোগ, তদন্তে একাধিক ত্রুটি ছিল এবং পূর্বের সরকার ভোট ব্যাঙ্কিংয়ের জন্য ১৬ জন পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) পরিবর্তন করেছে। এর ফলে সঠিক বিচার মেলেনি। অভিযুক্তদের মধ্যে ফাঁসি ও আমৃত্যু কারাদণ্ডের আসামিদের হাইকোর্ট বেকসুর খালাস করে দেওয়ায় পরিবারের ক্ষোভ আরও বেড়েছে। ২০১৩ সালের ৭ জুন এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে কামদুনিতে। এই ঘটনা গোটা রাজ্যকে নাড়িয়ে দিয়েছিল।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ রাস্তায় নেমে তীব্র আন্দোলন শুরু করেন, যার অন্যতম পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন মৌসুমি ও টুম্পা কয়াল। বিভিন্ন সময়ে কামদুনির ঘটনা রাজনৈতিক আলোচনা ও জন আন্দোলনের মঞ্চে উঠে এলেও নির্যাতিতার পরিবার এখনও চূড়ান্ত বিচারের অপেক্ষায়। মামলাটি এখনও আদালতের গণ্ডিতে ঝুলে রয়েছে। কবে এই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে এবং নির্যাতিতার পরিবার ন্যায়বিচার পাবে, সেই প্রশ্নই আজ বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।








