মাত্রাতিরিক্ত রক্তারক্তি ও যৌন সুড়সুড়িতে দুর্বল যশ-কিয়ারার ‘টক্সিক’! পড়ুন ফিল্ম রিভিউ

যশ, কিয়ারা ও নয়নতারা অভিনীত ‘টক্সিক’ ছবির রিভিউ পড়ুন। মাত্রাতিরিক্ত রক্তারক্তি ও যৌন সুড়সুড়িতে কি দুর্বল হল এই বহু প্রতীক্ষিত ছবি? জানুন বিস্তারিত।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২৬ আগস্ট ২০২৬: দীর্ঘ চার বছর পর ‘কেজিএফ’ খ্যাত সুপারস্টার যশ ফিরলেন বড়পর্দায়, তাঁর বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘টক্সিক: এ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’ নিয়ে। কিয়ারা আডবানি ও নয়নতারা অভিনীত এই ছবি ঘিরে সিনেপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা ছিল তুঙ্গে। মাসখানেক ধরেই ছবির প্রচার ঝলক সিনেপোকাদের অ্যাড্রিনালিন রাশ বাড়িয়েছিল।

তবে পরিচালক গীতু মোহনদাসের এই গ্যাংস্টার গাথা কি আদতে দর্শকের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারল? সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া এই ছবির রিভিউতে উঠে এসেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। পর্যবেক্ষকদের মতে, ‘টক্সিক’ ছবিতে মাত্রাতিরিক্ত রক্তারক্তি এবং অপ্রয়োজনীয় যৌন সুড়সুড়ির ব্যবহার ছবির মূল বিষয়বস্তুকে দুর্বল করে দিয়েছে। ‘ঠুনকো পৌরুষের দম্ভ’ প্রদর্শনের চেষ্টা অনেক ক্ষেত্রেই আরোপিত মনে হয়েছে, যা ছবির গভীরতাকে নষ্ট করেছে। ছবিতে ‘রায়া’ নামক এক চরিত্রের অন্ধকার শৈশবকে তুলে ধরা হয়েছে, যে ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর দুধের বদলে রক্তের স্বাদ পেয়েছে। এই গভীর প্লট থাকা সত্ত্বেও, অতিরিক্ত উপাদান ছবির গতিকে ব্যাহত করেছে এবং গল্পের ধারাবাহিকতা নষ্ট করেছে। যদিও দ্বৈত চরিত্রে যশের অভিনয় প্রশংসার দাবি রাখে এবং তিনি তাঁর সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, তবুও ছবির সামগ্রিক চিত্রনাট্য ও উপস্থাপনা প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ।

‘আলফা মেল’ ট্রেন্ডের উপর ভিত্তি করে তৈরি ছবিটি একজন মহিলা পরিচালকের হাতে এমন বিষয়বস্তু নিয়ে আসা নতুন হলেও, তা শেষ পর্যন্ত কতটা সফল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তিন ঘণ্টার এই ছবি দর্শককে কতটা ধরে রাখতে পারবে, তা এখন দেখার বিষয়। অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট হওয়ার মতোই, একাধিক শক্তিশালী উপাদান থাকা সত্ত্বেও ‘টক্সিক’ দুর্বল লেগেছে।