বহরমপুরে তৃণমূলের বড়সড় ভাঙন, কংগ্রেসে যোগ দিলেন শতাধিক কর্মী ও দুই সভাপতি

বহরমপুরে তৃণমূলের বড়সড় ভাঙন। ২০ নম্বর ওয়ার্ডের দুই সভাপতি আরিয়ান কর্মকার ও সন্দীপ দাস সহ শতাধিক তৃণমূল কর্মী কংগ্রেসে যোগদান করলেন। রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬: লোকসভা নির্বাচনের আগে মুর্শিদাবাদ জেলায় রাজনৈতিক সমীকরণ বদলের ইঙ্গিত মিলল। বহরমপুর পৌরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙন ধরল। ওয়ার্ডের দুই সভাপতি আরিয়ান কর্মকার ও সন্দীপ দাস সহ প্রায় শতাধিক তৃণমূল কর্মী এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় কংগ্রেসে যোগদান করলেন। এই ঘটনাকে বহরমপুর মহকুমার রাজনীতিতে তৃণমূলের জন্য একটি বড় ধাক্কা এবং কংগ্রেসের জন্য উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই ২০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে একপ্রকার চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছিল। নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক স্তরে সমন্বয়ের অভাব এবং বিভিন্ন বিষয়ে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে তাঁরা দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। এদিন বহরমপুর জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে এক যোগদান সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে জেলা কংগ্রেস সভাপতি আব্দুল্লাহিল কাফি, বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা মনোজ চক্রবর্তী এবং টাউন সভাপতি অভিজিৎ বিশ্বাস-এর উপস্থিতিতে তৃণমূলের পতাকা ত্যাগ করে কংগ্রেসের দলীয় পতাকা হাতে তুলে নেন আরিয়ান কর্মকার, সন্দীপ দাস সহ শতাধিক কর্মী-সমর্থক। জেলা কংগ্রেস সভাপতি আব্দুল্লাহিল কাফি এই যোগদানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “তৃণমূলের স্বৈরাচারী মনোভাব এবং জনবিরোধী নীতির কারণেই মানুষ ক্রমশ কংগ্রেসের দিকে ঝুঁকছেন। এই যোগদান প্রমাণ করে যে কংগ্রেসের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে।”

তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে আরও বহু মানুষ তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেবেন। অন্যদিকে, তৃণমূল নেতৃত্ব এই যোগদানকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাদের দাবি, এতে দলের উপর কোনো প্রভাব পড়বে না। তবে রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে ঘিরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।