ব্যুরো নিউজ, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬: মালদার মঙ্গলবাড়ি এলাকায় বিজেপি নেতা ও কর্মীদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী মিলন ঘোষ-সহ পাঁচ বিজেপি কর্মীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠেছে মঙ্গলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য রিপন বর্মন ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকেই বিজেপি প্রার্থী মিলন ঘোষের সঙ্গে তৃণমূলের বর্তমান পঞ্চায়েত সদস্য রিপন বর্মনের বিবাদ চলছিল। আহত মিলন ঘোষের পরিবারের অভিযোগ, তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই এলাকায় বিজেপি কর্মীদের উপর নানা ধরনের অত্যাচার চালানো হচ্ছে। মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি, বাড়িতে পাথর ছোড়া, গালিগালাজ এবং হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ, সোমবার রাতে মঙ্গলবাড়ী রেলগেট এলাকায় মিলন ঘোষকে একা পেয়ে হাঁসুয়া দিয়ে কোপানো হয়। তিনি গুরুতর জখম হন। খবর পেয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্ত রিপন বর্মনের বাড়িতে গেলে তাঁদের উপরও চড়াও হওয়ার অভিযোগ ওঠে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আরও কয়েকজন জখম হন বলে পরিবারের দাবি। ঘটনা চাউর হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা রিপন বর্মনের বাড়ি ঘেরাও করে দোকান, চারচাকা গাড়ি ও একটি অটো ভাঙচুর করেন।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে মালদা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিষেক রায়ের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পুলিশ রিপন বর্মন-সহ তাঁর পরিবারের প্রায় ৮ থেকে ১০ জন মহিলা ও পুরুষকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। নলডুবির অন্য বুথের বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্য শিবু ঘোষ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।








