১২ বছর পর ইরাক ছাড়ছে মার্কিন সেনা, শেষ হচ্ছে আইএস বিরোধী অভিযান

১২ বছর পর ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন হচ্ছে। আইএস বিরোধী অভিযান শেষে সেনারা জর্ডানে স্থানান্তরিত হচ্ছে। ইরাক সরকার 'সার্বভৌমত্ব দিবস' পালন করবে।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ১২ বছর পর ইরাক থেকে তাদের সামরিক উপস্থিতি গুটিয়ে নিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াই শেষে বুধবারের মধ্যে মার্কিন সেনারা ইরাক ত্যাগ করবে বলে জানা গেছে।

এবিসি নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৪ সালে ইরাক ও সিরিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চল আইএস দখল করে নিলে মার্কিন সেনারা পুনরায় ইরাকে ফিরে আসে। ২০০৩ সালের আক্রমণের পর ২০১১ সালে একবার ইরাক ছেড়েছিল মার্কিন বাহিনী। প্রাক্তন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন ২০২৪ সালে ইরাকের সঙ্গে এই সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করে, যার চূড়ান্ত সময়সীমা ছিল ৩০ সেপ্টেম্বর।

ট্রাম্প প্রশাসন এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করেছে। যদিও ২০১৯ সালে আইএস-কে সামরিকভাবে পরাজিত করা হয়েছিল, তবুও তাদের পুনরুত্থান ঠেকাতে মার্কিন বাহিনী ইরাকে অবস্থান করছিল। বর্তমানে অবশিষ্ট মার্কিন সেনারা জর্ডানে স্থানান্তরিত হচ্ছে, যেখানে আইএস বিরোধী অভিযানের সদর দফতর স্থাপন করা হবে বলে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে।

ইরাক সরকার মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘটনাকে চারটি ‘সার্বভৌমত্ব দিবস’ পালনের মাধ্যমে স্মরণ করবে। প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি এই প্রত্যাহারের ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা শক্তিশালী করার এবং ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে মিলিশিয়াদের নিরস্ত্র করার প্রচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত করেছেন। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরাক থেকে তাদের সামরিক উপস্থিতি শেষ করছে।