জেএমবি’র শাখা সংগঠনের ষড়যন্ত্র ভেস্তে দিল এনআইএ, পশ্চিমবঙ্গ-সহ তিন রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ১৩

এনআইএ-র অভিযানে পশ্চিমবঙ্গ-সহ তিন রাজ্য থেকে জেএমবি'র শাখা সংগঠন আইএমকে-র ১৩ সদস্য গ্রেপ্তার। ভেস্তে গেল বড়সড় সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্রের ছক।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬:  জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর-পূর্ব ভারতে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামা’আতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি)-এর শাখা সংগঠন ইমাম মাহমুদের কাফিলা (আইএমকে)-এর একটি বড়সড় সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্রের ছক ভেস্তে দিয়েছে। মঙ্গলবার অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও কেরালার মোট ১৬টি জায়গায় ব্যাপক তল্লাশি অভিযান চালিয়ে এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে ৮ জন অসমের, ৪ জন পশ্চিমবঙ্গের এবং ১ জন কেরালার বাসিন্দা। তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, পেন ড্রাইভ, মেমোরি কার্ড-সহ বহু গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ উদ্ধার হয়েছে, যা তাদের ভারত-বিরোধী কার্যকলাপের প্রমাণ। এনআইএ-র দাবি, জেএমবি’র সিনিয়র সদস্য ইমাম মাহমুদ হাবিবুল্লাহ ভারতে সংগঠনের মতাদর্শ ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই আইএমকে তৈরি করেছিল। ধৃতরা গোপন বৈঠক, ধর্মীয় প্রচার, চরমপন্থী বইপত্র বিলি এবং ডিজিটাল মাধ্যমে যুবকদের মৌলবাদে উদ্বুদ্ধ করার কাজ চালাচ্ছিল।

তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত “পূর্ব আকাশ” নামে একটি টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে অনলাইনে যুবকদের মগজধোলাই করা হচ্ছিল। এই মামলার সূত্রপাত হয় ২০২৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর, যখন অসম পুলিশ প্রথমে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে। পরে এই স্পর্শকাতর মামলাটি এনআইএ হাতে নেয়। এই ঘটনায় এখনও ১০ জন পলাতক, যার মধ্যে ৯ জন বাংলাদেশি নাগরিক ও ১ জন ভারতীয়। RC-01/2026/NIA/GUW মামলায় তদন্ত জোরকদমে চলছে এবং আরও গ্রেপ্তারের সম্ভাবনা রয়েছে।