বালির কারবারে সুমিত রায়ের একাধিক সিম ও আর্থিক লেনদেনের হদিশ, ২ দিনের পুলিশি হেফাজত

বালির কারবারে সুমিত রায়ের একাধিক সিম ও আর্থিক লেনদেনের হদিশ পেল পুলিশ। মেদিনীপুর আদালতে পেশের পর ২ দিনের পুলিশি হেফাজত।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৪ অক্টোবর ২০২৬: বালি পাচার কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক হিসেবে পরিচিত সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে তদন্তে উঠে এসেছে একাধিক সিম কার্ড ব্যবহার করে নিজের পরিচয় গোপন রাখার অভিযোগ। শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তাঁকে দু’দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। সরকারি আইনজীবী সৈয়দ নাজিম হাবিব আদালতে জানান, তদন্তকারীরা সুমিত রায়ের মোবাইল থেকে নিজের নম্বর গোপন রেখে একাধিক সিম ব্যবহারের প্রমাণ পেয়েছেন। এই সিমগুলি ঠিক কাদের নামে নেওয়া হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পাশাপাশি, এই বালি কেলেঙ্কারির মামলায় আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি নিয়েও জোরদার তদন্ত চলছে। কোন কোন ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে টাকা লেনদেন হয়েছে, সেই তথ্যও সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে আদালতে জানানো হয়। তদন্তের স্বার্থে চার দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হলেও, শুনানি শেষে বিচারক দু’দিনের হেফাজত মঞ্জুর করেছেন। উল্লেখ্য, এই বালি কেলেঙ্কারির মামলায় সুমিত রায়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তকারীদের মূল নজর এখন একাধিক সিম কার্ড এবং সেগুলির মাধ্যমে হওয়া আর্থিক লেনদেনের দিকে। কতদিন ধরে এই লেনদেন চলছিল, সুমিত রায় এই লেনদেনের সঙ্গে কীভাবে যুক্ত ছিলেন এবং কাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হতো, সেই সমস্ত তথ্য বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই ঘটনায় আরও বড় কোনও চক্রের যোগসূত্র আছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, হেফাজতের সময়কালে সুমিত রায়কে জেরা করে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসতে পারে।