‘ঘাঁটাঘাঁটি কম করুন, এক্সরে প্লেট…’, পা ভাঙা ইস্যুতে ফের মমতাকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

পা ভাঙা ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এক্স রে প্লেট প্রকাশের হুমকি, পালটা আইনি পদক্ষেপ মমতার আইনজীবীর।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৫ অক্টোবর ২০২৬: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ফের একবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর পা ভাঙা ইস্যুতে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন।

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পা ভাঙার ঘটনাটি মিথ্যা ছিল বলে শুভেন্দু অধিকারী আগেও দাবি করেছিলেন এবং প্রমাণস্বরূপ মেডিকেল রিপোর্ট জনসমক্ষে এনেছিলেন।

এবার সেই একই ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ঘাঁটাঘাঁটি কম করুন। যদি এক্স রে প্লেট, এমআরআই রিপোর্ট যদি দেখাতে শুরু করি, বাড়ি থেকে বেরতে পারবেন না।”

দিন কয়েক আগেই শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন যে, এই ঘটনার তদন্ত হবে। এরপরই তিনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর কিছু মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ করেন, যা নিয়ে আইনি প্রশ্ন উঠেছে। বিনা অনুমতিতে কারও ব্যক্তিগত মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনা যায় কিনা, তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই বিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী অর্ক নাগ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, অর্থাৎ এসএসকেএমের ডিরেক্টর, সুপার এবং বিভাগীয় প্রধানকে আইনি চিঠি পাঠিয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কোন নিয়মের ভিত্তিতে এই রিপোর্টগুলি প্রকাশ্যে আনা হয়েছে।

এই আইনি পদক্ষেপের পরই শুভেন্দু অধিকারী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “স্বাস্থ্যদপ্তর হয়ে আমার কাছে পাঠিয়ে দিতে বলব, ওনার আইনজীবীর চিঠি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মনে হয় জানেন না, উনি কেস করেছিলেন। কেসটা সিআইডি নিয়েছিল। স্বাভাবিকভাবে এসএসকেএমে কোনও নথি পাওয়ার কথা নয়। বিজেপির নামে এফআইআর হয়েছিল। সিআইডি তদন্ত হয়।”

বিজেপি নেতা-কর্মীদের নামে সেসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এফআইআর করেছিলেন। সেই কথাও মনে করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

এরপরেই শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “প্রয়োজন হলে কোথা থেকে কাগজটা পেয়েছি আমি বলে দেব। কাগজটা পিজিতে ছিল না। পিজিতে থাকার কথা নয়। উনি ভেবেছিলেন চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হয়ে আসবেন। উনি অনেক কাগজই ড্রয়ারে রেখে দিয়ে গিয়েছিলেন। অনেক কাগজ বার করে নিয়ে যেতে পারেননি।”

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে চাপানউতোর আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।