ব্যুরো নিউজ, ৯ অক্টোবর ২০২৬: বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসু ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও ফিরহাদ হাকিম-সহ ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল’–এর ১০ জন বিধায়কের সদস্যপদ খারিজের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। দলত্যাগ বিরোধী আইনে এই আবেদন জানিয়েছিলেন বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। অধ্যক্ষের এই সিদ্ধান্তে কালীঘাটের রাজনৈতিক মহলে বড় ধাক্কা লেগেছে বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এই ১০ জন বিধায়কের সদস্যপদ খারিজের দাবিতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় পিটিশন দাখিল করেছিলেন। ভারতীয় সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী এই আবেদন করা হলেও, শুনানিতে ঋতব্রতদের আইনজীবী পাল্টা যুক্তি দেন।
তাঁদের মূল দাবি ছিল, কালীঘাটের জমা দেওয়া পিটিশনের সঙ্গে যুক্ত নথিগুলি ১৯৮৬ সালের দলত্যাগ বিরোধী আইনের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সঠিকভাবে যাচাই করা হয়নি। বৃহস্পতিবার বিকেলে বিধানসভায় এই আবেদনের উপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই মামলার নিষ্পত্তি করার। সেই নির্দেশ মেনেই অধ্যক্ষ তাঁর সিদ্ধান্ত জানান। অধ্যক্ষ তাঁর নির্দেশে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, পেশ করা নথিগুলিতে স্বাক্ষর থাকলেও আইনি নিয়মমাফিক ভেরিফিকেশন করা হয়নি। পদ্ধতিগত এই ত্রুটির কারণেই পিটিশনটি খারিজ করা হয়েছে। শুনানি শেষে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তাঁরা ১০ জন বিধায়ক এবং তাঁদের আইনজীবী শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, ‘মমতা তৃণমূলের’ মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “এঁরা একটি দল থেকে সেই দলের প্রতীকে জিতে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। এঁদের সদস্যপদ খারিজ হওয়া উচিত।” অধ্যক্ষ অবশ্য জানিয়েছেন, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় চাইলে সমস্ত বিধিনিয়ম মেনে নতুন করে পিটিশন জমা দিতে পারবেন।








