কুনো জাতীয় উদ্যানের বাইরে গুরুতর জখম চিতা শাবক উদ্ধার, চোরাশিকারের ছায়া?

কুনো জাতীয় উদ্যানের বাইরে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার ১৯ মাস বয়সী চিতা শাবক। চোরাশিকারের আশঙ্কা, সংকটজনক অবস্থায় চলছে চিকিৎসা। বন্যপ্রাণ নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২৭ অক্টোবর ২০২৬: কুনো জাতীয় উদ্যানের বাইরে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার হল একটি চিতা শাবক।

মধ্যপ্রদেশের মোরেনা জেলার পাহাড়পুর এলাকা থেকে গত রবিবার সন্ধ্যায় ১৯ মাস বয়সী পুরুষ শাবকটিকে উদ্ধার করে বনদপ্তর। মা চিতা নিরভার এই শাবকটির শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক বলে জানা গেছে। তাকে কুনোর পশু চিকিৎসালয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা চলছে। এই ঘটনায় বন্যপ্রাণ নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

কুনোর চিফ কনজারভেটর অফ ফরেস্ট উত্তম শর্মা জানিয়েছেন, চিতা শাবকটির শরীরে গুরুতর আঘাত রয়েছে এবং আগামী ৭২ ঘণ্টা তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখনই আঘাতের কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে এই ঘটনার নেপথ্যে চোরাশিকারিদের হাত থাকতে পারে বলে জোরালো আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত জুলাই মাসে কুনোর চিতা ল্যান্ডস্কেপ থেকে ১০টি লেপার্ডের চামড়া উদ্ধারের পাশাপাশি ৭ জন চোরাশিকারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এই নতুন ঘটনা বন্যপ্রাণ সংরক্ষণকারীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। ভারত সরকারের উচ্চাকাঙ্ক্ষী চিতা পুনর্বাসন প্রকল্পের অধীনে কুনো জাতীয় উদ্যানকে চিতা সংরক্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। চিতার সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এই অঞ্চলে চোরাশিকারের ঝুঁকিও ক্রমশ বাড়ছে। বনদপ্তর এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু করেছে এবং চিতা শাবকটির দ্রুত আরোগ্য কামনায় সমস্ত রকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এই ধরনের লজ্জাজনক ঘটনা কুনোর বন্যপ্রাণ সুরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।