ব্যুরো নিউজ, ২৯ অক্টোবর ২০২৬: প্রাক্তন মন্ত্রী জাভেদ আহমেদ খানের নামে একাধিক বেআইনি সম্পত্তির সন্ধান পেয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। অভিযোগ, ক্ষমতায় থাকাকালীন প্রভাব খাটিয়ে তিনি এই সমস্ত সম্পত্তি নিজের নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে করে নিয়েছিলেন। এর মধ্যে কিছু জমি সরকারি খাস জমি বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তপসিয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের আধিকারিকরা বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কলকাতা ও তার আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে তদন্ত শুরু করেছেন।
তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, জাভেদ খানের নামে কলকাতা ও তার আশেপাশে একাধিক সম্পত্তি রয়েছে, যার অনেকগুলিরই বৈধ কাগজপত্র নেই। বৃহস্পতিবার তপসিয়া, তিলজলা, বেনিয়াপুকুর, কসবা-সহ বিভিন্ন এলাকায় তদন্তকারীরা পৌঁছে যান। প্রতিটি ঠিকানায় গিয়ে সম্পত্তির মাপজোক করা হয়, ছবি তোলা হয় এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলা হয়। কবে এই সম্পত্তি কেনা হয়েছে, কার নামে রয়েছে, কীভাবে কেনা হয়েছে, তার সমস্ত নথি সংগ্রহ করা হচ্ছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “আমরা বেশ কিছু সম্পত্তির হদিশ পেয়েছি। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এগুলির অনেকগুলিরই বৈধ দলিল নেই। কিছু ক্ষেত্রে জবরদখলের অভিযোগও রয়েছে। আমরা সমস্ত নথি খতিয়ে দেখছি। পুরসভা ও ভূমি দফতর থেকেও তথ্য চাওয়া হয়েছে।” সূত্রের খবর, জাভেদ খানের বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তির অভিযোগও রয়েছে। মন্ত্রী থাকাকালীন তাঁর আয় কত ছিল এবং এখন তাঁর নামে যে সম্পত্তি রয়েছে, তার মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। রাজনৈতিক মহলে এই তদন্ত ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিরোধীরা শাসক দলের নেতাদের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ এনেছেন। যদিও জাভেদ খানের ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, সমস্ত সম্পত্তি বৈধভাবে কেনা এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার তিনি। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, প্রয়োজনে জাভেদ খানকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।








