থানায় থানায় এবার কালীমূর্তি! মন্ত্রীর নিদান, ‘অপরাধী ছাড় পেতে চাইবে, পুলিশ শক্তি পাবে’

বীরভূমের প্রতিটি থানায় কালীপুজো ও কালীমূর্তি রাখার নির্দেশ রাজ্যের মন্ত্রীর। তাঁর মতে, এতে পুলিশকর্মীরা শক্তি পাবেন এবং অপরাধীরা ভয় পাবে।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২৯ অক্টোবর ২০২৬: বীরভূমের প্রতিটি থানায় এবার থেকে কালীপুজো এবং থানা চত্বরে কালীমূর্তি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার বীরভূম জেলা পুলিশের বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি এই নিদান দেন। মন্ত্রীর মতে, এতে পুলিশকর্মীদের মনোবল বাড়বে এবং তাঁরা শক্তি পাবেন। মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বীরভূমের তারাপীঠ, কঙ্কালীতলা, ফুল্লরার মতো শক্তিপীঠগুলির কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি এসপি সাহেবকে অনুরোধ করেছেন যেন থানাগুলিতে ভালভাবে কালীপুজো হয়।

তাঁর মতে, থানাগুলিতে কালীমূর্তি থাকা খুব ভালো উদ্যোগ হবে। উদাহরণ হিসেবে তিনি রঘু ডাকাতের (Raghu Dakat) প্রসঙ্গ টেনে আনেন। মন্ত্রী বলেন, রঘু ডাকাতও ডাকাতি করতে যাওয়ার আগে মা কালীর পুজো করত। তাই থানাতেও কালীমূর্তি থাকা উচিত। চোর যখন থানায় ঢুকবে, তখন বলবে, ‘মা, যেন ছাড়া পাই!’ আবার পুলিশ যখন কোনও অভিযানে (রেড) যাবে, মা কালীকে প্রণাম করে বেরোবে, যাতে অপরাধীকে সঠিকভাবে ধরে আনতে পারে। হাসপাতালের উদাহরণ দিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, হাসপাতালে যেমন চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচার করতে যাওয়ার আগে বা রোগীর পরিজনেরা ঈশ্বরের মূর্তি প্রণাম করেন, থানাতেও তেমনই কালীমূর্তি থাকা উচিত। তবে এই মন্তব্যে কোনও ধর্মীয় দিক খোঁজা উচিত নয় বলে তিনি জানান। তাঁর মতে, বাঙালি সংস্কৃতিতেই এটি রয়েছে এবং পুলিশ তার সমস্ত ক্ষমতা শক্তি থেকে পায়, আর সেই শক্তিই হল কালীশক্তি।