ব্যুরো নিউজ, ৩০ অক্টোবর ২০২৬: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আর্থিক নীতি নিয়ে বহু সমালোচনা হলেও, বিশ্বব্যাঙ্কের সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে ভারতে দারিদ্র্য হ্রাসের এক অভাবনীয় চিত্র তুলে উঠে এসেছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১১-১২ অর্থবর্ষ থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের মধ্যে ভারতে দারিদ্র্যসীমার উপরে উঠে এসেছেন প্রায় ৪৯.৬ কোটি মানুষ। এই সমীক্ষাটি ২০২১ সালের রোজগার এবং ক্রয়ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। বিশ্বব্যাঙ্কের তথ্য বলছে, ২০১১ সালে যেখানে দেশের ৫৭.৭ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করতেন, সেখানে ২০২৩ সালে এই হার কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৬.১ শতাংশে। অর্থাৎ, মাত্র ১২ বছরে ভারতের একটি বিশাল সংখ্যক মানুষ চরম দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেয়েছেন। দৈনিক ৪.২০ ডলার বা প্রায় ৪০ টাকা আয় যাঁদের, তাঁদের দরিদ্র হিসেবে গণ্য করা হবে না বলে সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এই পরিসংখ্যান নিঃসন্দেহে ভারতের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির এক গুরুত্বপূর্ণ সূচক। যদিও এই সাফল্যের পেছনে সরকারি নীতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং অন্যান্য কারণগুলির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা চলতেই পারে, তবে বিশ্বব্যাঙ্কের এই রিপোর্ট মোদি সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার একটি ইতিবাচক দিককেই সামনে এনেছে। দেশের একটি বড় অংশের মানুষের জীবনযাত্রার মানের উন্নতি নিঃসন্দেহে একটি স্বস্তির খবর।








