ব্যুরো নিউজ, ৩০মে ২০২৬ঃ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে বেলভিউ ক্লিনিকে স্থানান্তরিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোনারপুরে দলীয় কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়ে মার খেয়ে চিকিৎসার জন্য অ্যাপোলোতে গিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দিনভর নাটকীয় ঘটনার পর সন্ধ্যায় তাঁকে হুইল চেয়ারে বসিয়ে হাসপাতালে আনা হয়।
তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “এখানে চিকিৎসা হচ্ছে না। আমরা অন্য জায়গায় শিফট করছি।” অভিষেক পৌঁছনোর কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে হাজির হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সঙ্গে ছিলেন তাঁর মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে দলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তীও উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখযোগ্যভাবে দেখা যায় প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কেও, যিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই হাসপাতালে পৌঁছন। দলের খারাপ সময়ে অনেককে দেখা না গেলেও শোভন চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতি জল্পনা তৈরি করেছে।
নিজের ওপর হওয়া নজিরবিহীন শারীরিক হেনস্থার ঘটনার পর গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভাঙা চশমা দেখিয়ে তিনি দাবি করেন, “মেরে ফেলতে চেয়েছিল আমাকে।” একই সঙ্গে এই ঘটনা রুখতে ব্যর্থতার দায়ে পুলিশ-প্রশাসনকেও তীব্র নিশানা করেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। তাঁর দাবি, এই হামলায় স্থানীয় বাসিন্দাদের কোনও যোগ নেই, বরং বিজেপি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে নিজেদের লোক ঢুকিয়ে রেখেছিল।








