ব্যুরো নিউজ, ২০ মে ২০২৬ঃ রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই প্রাক্তন শাসকদলের নেতাদের সম্পত্তির উৎস নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তির উৎস খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই তদন্ত চলাকালীনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে, যা রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অভিষেকের একটি সম্পত্তিতে যৌথ মালিকানায় নাম রয়েছে সায়নী ঘোষের।
জি ২৪ ঘণ্টার একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৯ডি, সেভেন ট্যাঙ্ক রোডের ঠিকানায় থাকা একটি সম্পত্তিতে সায়নী ঘোষ নামক এক মহিলার নাম যৌথ মালিক হিসেবে নথিভুক্ত রয়েছে। এই সায়নী ঘোষ কে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তিনি কি তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ সায়নী ঘোষ, নাকি অভিষেকের অন্য কোনও ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। তদন্তকারীরা এই বিষয়ে নিশ্চিত হতে চাইছেন এবং এর উৎস খতিয়ে দেখছেন।
সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে থাকা আরও কয়েকটি সম্পত্তিতে তাঁর মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও নাম রয়েছে। এছাড়াও কিছু সম্পত্তিতে অভিষেক তাঁর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠদের নাম ব্যবহার করেছিলেন বলেও শোনা যাচ্ছে। তবে, সেভেন ট্যাঙ্ক রোডের সম্পত্তিটিতে ঠিক কোন সায়নীর ভাগ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা এবং এর পেছনের রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা করছেন।
উল্লেখ্য, রাজ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার ক্ষমতায় আসার পর কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৭টি সম্পত্তিতে নোটিস পাঠিয়েছে। এর মধ্যে হরিশ মুখার্জী রোডের বাড়ি, শান্তিনিকেতন বিল্ডিং এবং কালীঘাটের একটি বিল্ডিংও রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর পুরসভা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডকেও অভিষেকের সম্পত্তির নথি চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। এই সামগ্রিক ঘটনাপ্রবাহ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।








