ব্যুরো নিউজ, ১৮ই মে ২০২৬ঃ রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় নতুন সংযোজন ‘জনতার দরবার’। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) উদ্যোগে সাধারণ মানুষ এবার সরাসরি নিজেদের সমস্যা, অভিযোগ কিংবা বঞ্চনার কথা তাঁর সামনে তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন। ১ জুন থেকে এই কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, নির্ধারিত সময়ের আগেই সোমবার থেকে তা কার্যকর করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
প্রথম দিন বিধাননগরে বিজেপির রাজ্য দফতরে বসেছিল এই ‘জনতার দরবার’। প্রথম দিনেই ব্যাপক সাড়া মিলেছে এই কর্মসূচিতে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন লকেট চ্যাটার্জি এবং শশী অগ্নিহোত্রী। সকাল থেকেই বহু মানুষ নিজেদের বিভিন্ন সমস্যার কথা জানাতে সেখানে পৌঁছে যান। সূত্রের খবর, প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি দেখা করেন, যার মধ্যে বড় অংশ ছিলেন চাকরিপ্রার্থী। নিয়োগ দুর্নীতি কিংবা যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও চাকরি না পাওয়ার মতো অভিযোগ উঠে আসে।
বিজেপি সূত্রে জানানো হয়েছে, এখন থেকে প্রতি সোমবার সকাল ১০টা থেকে এই ‘জনতার দরবার’ অনুষ্ঠিত হবে। যদিও ভবিষ্যতে ভেন্যু পরিবর্তন হতে পারে। সাক্ষাৎপ্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য ও আলোচনার বিষয় গোপন রাখার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফোনে বা অনলাইনে নয়, সরাসরি সামনাসামনি বসেই মানুষের কথা শুনবেন মুখ্যমন্ত্রী। দ্রুত সমস্যা সমাধানের জন্য প্রতি সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রশাসনের দুই উচ্চপদস্থ আধিকারিকও উপস্থিত থাকবেন। অভিযোগ পাওয়ার পর তা সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হবে এবং দ্রুত নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হবে। মমতা ব্যানার্জির সরকারের আমলে চালু হওয়া ‘দিদি কে বলো’ কর্মসূচির সঙ্গে এর পার্থক্য তুলে ধরে বিজেপির দাবি, নতুন ‘জনতার দরবার’-এর মাধ্যমে দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।








