ব্যুরো নিউজ, ২৪ জুন ২০২৬ঃ অসময়ের কালবৈশাখীর তাণ্ডবে কার্যত লন্ডভন্ড দশা শহর কলকাতার। একাধিক এলাকায় গাছ উপড়ে পড়েছে, কোথাও আবার কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই জল জমেছে। দক্ষিণবঙ্গের ছবিটাও কমবেশি একই, বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও প্রবল বর্ষণ জারি।
আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, রাজস্থান থেকে বিহার পর্যন্ত বিস্তৃত মৌসুমী অক্ষরেখা উত্তরপ্রদেশের উপর অবস্থান করছে। এর প্রভাবে আগামী কয়েকদিন রাজ্যের আবহাওয়ায় পরিবর্তন আসতে পারে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে, হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকতে পারে।
দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়বে। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস। সন্ধ্যার পরে পশ্চিমের কিছু জেলায় বজ্রপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে, জারি হতে পারে লাল সতর্কতাও।
উত্তরবঙ্গ জুড়ে গত কয়েকদিন ধরেই বৃষ্টির দাপট চলছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস। শুক্রবার থেকে জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি হতে পারে। এর ফলে পাহাড়ি এলাকায় ধস, নদীর জলস্তর বৃদ্ধি এবং নিচু এলাকায় প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে, যা জনজীবন বিঘ্নিত করতে পারে।








