বর্ষায় বাঁকুড়ার বাঁশপাহাড়ি, ঠিক যেন ‘মিনি উটি’! ঘুরে আসুন অফবিট ডেস্টিনেশন থেকে

বর্ষায় বাঁকুড়ার অফবিট ডেস্টিনেশন বাঁশপাহাড়ি এখন পর্যটকদের নতুন ঠিকানা। 'মিনি উটি' খ্যাত এই জঙ্গলমহলে সবুজের মাঝে কাটান নিরিবিলি ছুটি। জানুন কীভাবে যাবেন।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ১ জুন ২০২৬ঃ বর্ষার আগমনী বার্তায় সেজে উঠেছে বাংলার প্রকৃতি। এই সময়ে পাহাড়, জঙ্গল আর সবুজের হাতছানি উপেক্ষা করা কঠিন। যারা কোলাহলমুক্ত পরিবেশে প্রকৃতির সান্নিধ্যে ছুটি কাটাতে চান, তাঁদের জন্য বাঁকুড়ার বাঁশপাহাড়ি (Banspahari) হতে পারে এক আদর্শ গন্তব্য। ঠিক যেন ‘মিনি উটি’র মতো, এই অফবিট জায়গাটি বর্ষায় আরও মোহময়ী হয়ে ওঠে।

জঙ্গলমহলের গভীরে অবস্থিত বাঁশপাহাড়ি এক ছোট্ট জনপদ। এখানকার শান্ত পরিবেশ, শাল-মহুয়ার ঘন জঙ্গল এবং পাহাড়ের স্নিগ্ধতা পর্যটকদের মন জয় করে নেয়। শহরের ব্যস্ততা থেকে দূরে, এখানে প্রকৃতির কোলে নিরিবিলি সময় কাটানোর সুযোগ মেলে। বর্ষার সময়ে চারপাশের গাছপালা আরও সবুজ হয়ে ওঠে, নদী ও ঝর্ণা জলে টইটুম্বুর থাকে, যা এক অসাধারণ প্রাকৃতিক দৃশ্যের অবতারণা করে।

পর্যটকদের থাকার জন্য এখানে রয়েছে সুন্দর হোমস্টে এবং রিসর্ট। জঙ্গলের মধ্যে বসে বৃষ্টির শব্দ শুনতে শুনতে এক কাপ গরম চা বা কফি উপভোগ করার অভিজ্ঞতা সত্যিই অসাধারণ। একসময় জঙ্গলমহল নাম শুনলে মানুষের মনে ভয়ের উদ্রেক হলেও, এখন সেই ধারণা অনেকটাই পাল্টেছে। বাঁশপাহাড়ি এখন নিরাপদ এবং পর্যটন-বান্ধব। কীভাবে যাবেন? নিজের গাড়ি থাকলে বিষ্ণুপুর, সিমলাপাল, খাতরা হয়ে সরাসরি পৌঁছানো যায়। এছাড়া ট্রেনে বিষ্ণুপুর পৌঁছে সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করেও বাঁশপাহাড়ি যাওয়া সম্ভব। বাঁকুড়া জেলার অন্যান্য পাহাড় ও টিলাও এই ভ্রমণের অংশ হতে পারে।