ব্যুরো নিউজ, ৬ জুন ২০২৬ঃ জনপ্রিয় ইউটিউবার ও শিক্ষক ফয়জল খান ওরফে ‘খান স্যার’ পাটনা সিভিল কোর্টে আত্মসমর্পণ করেছেন। কোচিং সেন্টারে গুলি চালানোর ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের হয়েছিল। শুক্রবারই তাঁকে গ্রেপ্তারের জল্পনা ছড়িয়েছিল। পাটনার মুসাল্লাহপুর হাট এলাকায় খান স্যরের কোচিং সেন্টারের বাইরে ২ জুন দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে, যেখানে গুলিও চলে এবং এক নিরাপত্তারক্ষী আহত হন। এই ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিপুল পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
প্রাথমিকভাবে খান স্যার দাবি করেছিলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলার পিছনে প্রতিদ্বন্দ্বী কোচিং সেন্টারগুলির হাত রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, কম খরচে পড়াশোনার সুযোগ দেওয়ায় তথাকথিত ‘কোচিং মাফিয়া’ ক্ষুব্ধ হয়ে এই হামলা চালিয়েছে। তবে, তদন্তের সময় পুলিশ বেশ কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তাঁদের বয়ান অনুযায়ী, সংঘর্ষের সময় তাঁদের পক্ষ থেকেও গুলি চালানো হয়েছিল। এই জবানবন্দির ভিত্তিতেই পুলিশ খান স্যরের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে শুরু করে। ৫ জুন পাটনার কদমকুয়াঁ থানায় খান স্যরের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়।
পুলিশ জানায়, ঘটনায় তাঁর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে তদন্ত চলছে। এফআইআর দায়ের হওয়ার পর থেকেই পুলিশ তাঁকে খুঁজছিল। শনিবার তিনি কড়া নিরাপত্তার মধ্যে পাটনা সিভিল কোর্টে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন। আদালতে তাঁর আইনজীবীরা জামিনের আবেদন জানান। আদালতের পরবর্তী নির্দেশের দিকে এখন নজর রয়েছে। কোচিং দুনিয়ার এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং তার জেরে ঘটে যাওয়া হিংসার ঘটনা বিহারের শিক্ষামহলে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।








