মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের পরিবারের বিরুদ্ধে উজ্জয়িনীতে ১৬৮ একর জমি দখলের অভিযোগ, পাল্টা ‘পারিবারিক ব্যবসার’ দাবি

মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের পরিবারের বিরুদ্ধে উজ্জয়িনীতে ১৬৮ একর জমি দখলের অভিযোগ। পরিবার অবশ্য 'দীর্ঘদিনের রিয়েল এস্টেট ব্যবসার' কথা বলে অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

Share:

নিউজ ব্যুরো, ২৩ জুন ২০২৬:  মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের পরিবারের বিরুদ্ধে এক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। উজ্জয়িনীর ‘গ্রোথ করিডর’ এলাকায় প্রায় ১৬৮ একর জমি অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল শুরু হয়েছে এবং বিরোধী দলগুলি সরব হয়েছে। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।

অভিযোগকারীদের দাবি, উজ্জয়িনীতে যে সমস্ত এলাকাকে ভবিষ্যতের উন্নয়নের জন্য ‘গ্রোথ করিডর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেখানেই মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা বিপুল পরিমাণ জমি নিজেদের নামে করে নিয়েছেন। অভিযোগ, এই জমিগুলি সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করে, প্রভাব খাটিয়ে দখল করা হয়েছে। এই জমিগুলির বর্তমান বাজার মূল্য কয়েকশো কোটি টাকা বলে অনুমান করা হচ্ছে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে, মোহন যাদবের পরিবারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের বক্তব্য, জমি সংক্রান্ত যাবতীয় লেনদেন আইন মেনেই হয়েছে এবং এর মধ্যে কোনওরকম অবৈধতা নেই। পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘকাল ধরে রিয়েল এস্টেট ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তাদের এই ব্যবসা বহু পুরোনো এবং সম্পূর্ণ স্বচ্ছ। সেই ব্যবসার সূত্রেই তারা বিভিন্ন সময়ে জমি কেনাবেচা করেছেন এবং সমস্ত নথি বৈধ। পরিবারের এক সদস্য সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে। তারা সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য প্রস্তুত এবং প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপও নেবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

এই ঘটনা এখন মধ্যপ্রদেশের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিরোধী দলগুলি মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছে। সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি, তবে বিষয়টি নিয়ে চাপ ক্রমশ বাড়ছে।