ব্যুরো নিউজ, ৬ নভেম্বর ২০২৬: পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে সাম্প্রতিক ড্রোন হামলায় অন্তত ৭ জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে এবং ২৩ জন আহত হয়েছেন। এই ঘটনার জেরে সেখানকার মানুষজন তাঁদের নিরাপত্তা বাহিনীকে ইজরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে তুলনা করছেন এবং পিওকে-কে গাজার সঙ্গে তুলনা করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পিওকে-র রাওয়ালকোটের মাতিয়ালমেরা বাস টার্মিনাল এবং উমর ফারুক চকের কাছে আবাসিক এলাকায় এই ড্রোন হামলা চালানো হয়। পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী বৃহস্পতিবার এই হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পর থেকেই পাকিস্তানের সাধারণ মানুষজন এবং কাশ্মীরি অ্যাক্টিভিস্টরা তাঁদের সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। অনেকেই বলছেন, পাকিস্তান সরকার যেভাবে গাজায় ইজরায়েলের আগ্রাসনকে নিন্দা করে, ঠিক সেভাবেই নিজেদের দেশেও একই ধরনের দমননীতি চালাচ্ছে।
জানা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ জম্মু ও কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (JAAC) জুন মাস থেকে মৌলিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকারের দাবিতে আন্দোলন করছিল। বৃহস্পতিবার পাকিস্তানি রেঞ্জার্স, ফ্রন্টিয়ার কোর এবং পুলিশ আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিতে অভিযান চালায়। অভিযোগ, সেই সময়ই ড্রোন হামলা চালানো হয়।
আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির এক নেতা জানিয়েছেন, ড্রোন থেকে আবাসিক এলাকায় বোমা ফেলা হয়েছে এবং একাধিক দিক থেকে হামলা চালানো হচ্ছে। এই ঘটনায় বহু মানুষ হতাহত হয়েছেন। কিছু পাকিস্তানি সাংবাদিকের মতে, মৃতের সংখ্যা ১২ পর্যন্ত হতে পারে, যার মধ্যে শিশুরাও রয়েছে। একজন কাশ্মীরি অ্যাক্টিভিস্ট বলেছেন, ‘রাওয়ালকোটের জ্বলন্ত বাড়িগুলো গাজার ভয়াবহ দৃশ্য মনে করিয়ে দিচ্ছে। দখলদার শক্তি সবসময়ই নৃশংস হয়, তা সে প্যালেস্টাইন হোক বা পিওকে।’










