‘ভোট চুরি করে গণতন্ত্র ধ্বংসের চক্রান্ত, কেউ ছাড় পাবেন না’, মোদী-জ্ঞানেশ-ভাগবতকে এক সুতোয় বাঁধলেন রাহুল

ভোট চুরি ও গণতন্ত্র ধ্বংসের অভিযোগে মোদী, শাহ, ভাগবত ও সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সরব রাহুল গান্ধী। ইন্ডি জোটের মিছিলে উত্তপ্ত দিল্লি, আটক একাধিক নেতা।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৬ অক্টোবর ২০২৬: দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস ও ভোট চুরির অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সরব হলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ‘ইন্ডি’ (INDIA) জোটের এক বিক্ষোভ মিছিল থেকে এই বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন তিনি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আকাশবাণী ভবনের সামনে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়।

রাহুল গান্ধী স্পষ্ট ভাষায় জানান, গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ ও কারচুপির মাধ্যমে দেশকে হাইজ্যাক করার এই দেশবিরোধী অপরাধের জন্য কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না। দিল্লি পুলিশ পদযাত্রা আটকে দিলে প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, অখিলেশ যাদব, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক বিরোধী নেতা রাজপথে বসে স্লোগান দিতে থাকেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অখিলেশ যাদব ও কয়েকজন তৃণমূল সাংসদকে সাময়িকভাবে আটকও করা হয়। রাহুল গান্ধী কড়া সুরে অভিযোগ করেন, “আমাদের দেশের সঙ্গে যা করা হয়েছে তা চরম দেশদ্রোহিতা; এবার আর কেউ ছাড় পাবে না। আমরা কেবল বিজেপির বিরোধিতা করছি না, আমরা ভারতের গণতন্ত্র বাঁচানোর লড়াই লড়ছি।” বিক্ষোভকারীদের হাতে আরএসএস-এর পোশাক পরিহিত সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের প্রতিচ্ছবি ও প্ল্যাকার্ড ছিল। নির্বাচন কমিশনের স্পেশ্যাল ইন্টেন্সিভ রিভিশন (SIR) বাতিল করা এবং অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে অটল থাকার বার্তা দিয়েছে বিরোধীরা।

এদিকে, বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্র এই প্রতিবাদকে ‘রাহুল গান্ধীকে পুনরায় রাজনৈতিকভাবে লঞ্চ করার চেষ্টা’ বলে অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে অপমান করে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছে কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা।