কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন রভনীত সিং বিট্টু, পাঞ্জাবের রাজনীতিতে বড় চাল বিজেপির?

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রভনীত সিং বিট্টু পদত্যাগ করলেন। পাঞ্জাবের রাজনীতিতে মনোনিবেশ করতেই এই সিদ্ধান্ত, জল্পনা বিজেপির কৌশল নিয়ে।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২৪ জুলাই ২০২৬ : কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিলেন পাঞ্জাবের বিজেপি নেতা রভনীত সিং বিট্টু। রেল এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী পদ থেকে শুক্রবার তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরামর্শে। এই আকস্মিক পদত্যাগের সিদ্ধান্ত ঘিরে জাতীয় রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এই ঘটনাকে পাঞ্জাবের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির একটি সুচিন্তিত কৌশল হিসেবেই দেখছেন।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, আগামী বছর পাঞ্জাবের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যে দলের ভিত্তি মজবুত করতে এবং পুরোপুরি রাজ্যের রাজনীতিতে মনোনিবেশ করতেই বিট্টু মন্ত্রিত্ব ছেড়েছেন। তিনি ২০২৪ সাল থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অংশ ছিলেন এবং পাঞ্জাবের রাজনীতিতে তাঁর যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব মনে করছেন, বিট্টুর মতো একজন অভিজ্ঞ নেতাকে রাজ্যের রাজনীতিতে পূর্ণ মনোযোগ দিতে দিলে তা বিজেপির জন্য ফলপ্রসূ হতে পারে। উল্লেখ্য, পদত্যাগের ঠিক একদিন আগেই রভনীত সিং বিট্টু পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানকে একটি চিঠি লিখেছিলেন। সেই চিঠিতে তিনি রাজ্যে ঝুলে থাকা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রেল পরিকাঠামো প্রকল্পের জট দ্রুত ছাড়াতে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ দাবি করেন।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই প্রকল্পগুলি সময়মতো সম্পন্ন হওয়া শুধু জাতীয় স্তরেই নয়, পাঞ্জাবের রেল সংযোগ শক্তিশালী করা, অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, শিল্প উন্নয়ন ও যাত্রী যাতায়াত সুগম করার জন্য অত্যন্ত জরুরি। চিঠি পাঠানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এই পদত্যাগ পাঞ্জাবের রাজনৈতিক সমীকরণকে প্রভাবিত করতে পারে। এখন দেখার, পাঞ্জাবে বিজেপি নিজেদের মাটি শক্ত করতে বিট্টুকে কীভাবে ব্যবহার করে এবং এই পদক্ষেপ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দলের জন্য কতটা ইতিবাচক ফল বয়ে আনে।