ব্যুরো নিউজ, ৩০ মে ২০২৬ঃ রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া দেশে প্লাস্টিকের নোট চালু করার কথা বিবেচনা করছে। বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের খবর অনুযায়ী, পলিমার নোট চালুর প্রস্তাব নিয়ে RBI বোর্ডে আলোচনা হয়েছে। এই পদক্ষেপ কার্যকর হলে কাগজের মুদ্রার দিন শেষ হতে পারে। প্রশ্ন উঠছে, প্লাস্টিকের নোট তৈরি করতে RBI-এর কত খরচ হবে এবং কাগজের নোটের সঙ্গে এর পার্থক্যই বা কী?
একটি সরকারি সূত্র জানিয়েছে, কাগজের মুদ্রার তুলনায় প্লাস্টিকের নোট তৈরিতে খরচ অনেকটাই কম। কাগজের একটি নোট তৈরি করতে যেখানে ১ থেকে ৩ টাকা খরচ হয়, সেখানে প্লাস্টিকের নোট তৈরিতে প্রায় অর্ধেক খরচ হতে পারে। খরচ কমার পাশাপাশি প্লাস্টিকের নোটের স্থায়িত্বও বেশি। এটি জল লেগে নষ্ট হবে না, বছরের পর বছর অক্ষত থাকবে এবং এটিএম থেকেও সহজে তোলা যাবে।
বর্তমানে, ভারতে প্রচলিত ২০০ টাকার একটি নোট তৈরি করতে RBI-এর খরচ হয় ২ টাকা ৯৩ পয়সা, ৫০০ টাকার নোটের জন্য ২ টাকা ৯৪ পয়সা। ১০ টাকার নোটের খরচ ১.০১ টাকা, ২০ টাকার নোটের ১ টাকা, ৫০ টাকার ১.২২ টাকা এবং ১০০ টাকার নোটের খরচ দেড় টাকার সামান্য বেশি।
RBI-এর বার্ষিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরে নোট ছাপাতে ৫,১০১.৪ কোটি টাকা খরচ হয়েছিল, যা পরের বছর ৬,৩৭২.৮ কোটি টাকায় পৌঁছায়। ময়লা নোট বাতিল করাও ব্যাঙ্কের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সরকারের চূড়ান্ত অনুমতি পেলে RBI পরীক্ষামূলকভাবে কিছু প্লাস্টিকের নোট বাজারে আনতে পারে, তারপর ধীরে ধীরে গোটা দেশে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে দেশের আর্থিক ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।








