ব্যুরো নিউজ, ৭ জুন ২০২৬ঃ বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরুর মাত্র ১১ দিন আগে ইংল্যান্ড ফুটবল দলের কোচ টমাস টুখেল এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে। স্কোয়াড ঘোষণা হয়ে গেলেও প্রথম একাদশ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি, বিশেষত আক্রমণভাগে। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ৬১ গোল করা হ্যারি কেনকে নিয়ে কোনো প্রশ্ন না থাকলেও, তাঁর পেছনের তিনটি আক্রমণাত্মক পজিশন নিয়েই যত সমস্যা। নিউজিল্যান্ড ও কোস্টারিকার বিরুদ্ধে শেষ দুটি প্রস্তুতি ম্যাচগুলিতে এই ধাঁধার সমাধান খুঁজবেন জার্মান মাস্টারমাইন্ড।
প্রথমত, ডান উইংয়ে বুকায়ো সাকা নাকি ননি মাদুয়েকে? গত দুই মরসুমে সাকার ফর্ম ওঠানামা করেছে এবং প্রতিপক্ষ তাকে ঘিরে ধরেছে। টুখেল আক্রমণের ধরন বদলাতে পারেন, যাতে সাকার উপর থেকে চাপ কমে। অন্যদিকে, মাদুয়েকে বেঞ্চ থেকে নেমে ম্যাচের গতি পরিবর্তন করতে সক্ষম। টুখেল নিজেও মাদুয়েকে’র প্রশংসা করেছেন। গ্রুপ পর্বে দুজনের মধ্যে রোটেশন দেখা যেতে পারে।
দ্বিতীয়ত, বাম উইংয়ে মার্কাস রাশফোর্ড নাকি অ্যান্থনি গর্ডন? রাশফোর্ড গোলমুখী হতে পছন্দ করেন এবং হ্যারি কেন নিচে নেমে এলে ফাঁকা জায়গায় দৌড়ে যান। গত মরশুমে তাঁর অফ-দ্য-বল রান কার্যকর ছিল। কিন্তু বল ছাড়া খেলায় গর্ডনের পরিশ্রম এবং হাই-প্রেসিং ক্ষমতা নজরকাড়া।টুখেল হাই প্রেসিং ফুটবল চান, যেখানে গর্ডনের গুরুত্ব বেশি। কোচকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তিনি গোলের সুযোগ বেশি চান নাকি বল জেতার ক্ষমতা।
তৃতীয়ত, জুড বেলিংহ্যাম নাকি মরগ্যান রজার্স? বেলিংহ্যাম একজন পূর্ণাঙ্গ মাঝমাঠের খেলোয়াড়, যিনি রক্ষণ ও আক্রমণে সমানভাবে সাহায্য করেন। ট্যাকল ও ইন্টারসেপশনের পরিসংখ্যানে তিনি এগিয়ে। রজার্স দ্রুত বল নিয়ে এগিয়ে গিয়ে কাউন্টার অ্যাটাকে গতি আনা এবং ফাইনাল থার্ডে প্রভাব তৈরি করতে পারদর্শী। গ্যারেথ সাউথগেটের সময় আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডাররা কেনের বৃত্তে ঢুকে পড়তেন, যা একটি সমস্যা ছিল। টুখেলকে এই ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। এই তিন কঠিন প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করাই এখন টুখেলের প্রধান কাজ, যা ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ অভিযানকে প্রভাবিত করবে।








