ব্যুরো নিউজ, ১৩ জুন ২০২৬ : পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি থানার পুলিশ সম্প্রতি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাসভবনে যায়। একটি জমি দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমে অভিষেকের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের খোঁজে এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূল যুবনেতা শেখ ইমরানের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই তদন্ত শুরু হয়।
ইমরানের অভিযোগ ছিল, প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরা জমি দেওয়ার নাম করে ১০ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন, কিন্তু জমি দেননি। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই সুজয়কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সুজয়কে জেরা করার পর তদন্তের জাল বিস্তার করে এবং তাতে সুমিত রায়ের নাম উঠে আসে। পুলিশ সূত্রে খবর, সুমিত রায়ের মোবাইল ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন তদন্তকারীরা। অভিযোগ, সুমিত রায় এই জমি দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। জেলা থেকে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ‘উৎকোচ’ তাঁর কাছে পৌঁছত বলে জানা গিয়েছে। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালালেও এখনও সুমিত অধরা। জানা গিয়েছে, সুজয় হাজরা বিধায়ক হওয়ার আগে থেকেই জমি দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন।
অভিযোগ, তিনি জেলা সভাপতি পদের প্রভাব খাটিয়ে সরকারি জমির চরিত্র বদল করে দলিল জাল করতেন। শালবনি থানার সীতারামপুর মৌজায় দশটি দাগ নম্বরে মোট ৪২০ ডেসিমেল জমির দখল এবং ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের দু’ধারে কর্ণগড় অঞ্চলের বহু জমির জাল দলিল তৈরির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশের তদন্তে আরও কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এই দুর্নীতির শিকড় কত গভীরে, তা জানতে চাইছে প্রশাসন।








