অন্নপূর্ণা যোজনা ফর্ম সরলীকরণ: ১২ পাতার ফর্মে নাভিশ্বাস, অগ্নিমিত্রা পালের বড় আশ্বাস

অন্নপূর্ণা যোজনার ১২ পাতার ফর্ম নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগের মাঝে বড় আশ্বাস দিলেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আলোচনার ইঙ্গিত।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২৯ মে ২০২৬ :  রাজ্য সরকারের ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র ১২ পাতার ফর্ম পূরণ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছিল। এই পরিস্থিতিতে নারী-শিশু উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ফর্ম সরলীকরণের বড় আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, উপভোক্তাদের সুবিধার্থে প্রয়োজনে এই ফর্মের প্রক্রিয়া সহজ করা হবে এবং এই বিষয়ে তিনি স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলবেন।

উল্লেখ্য, ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ ছিল বিজেপির একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি। সরকার গঠনের পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই এই প্রকল্পের অনুমোদন মেলে, যার মাধ্যমে পূর্বতন ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের উপভোক্তাদের ভাতার অঙ্ক দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত বুধবার ফর্ম প্রকাশের পর থেকেই সাইবার ক্যাফে ও সরকারি দফতরগুলিতে ভিড় লক্ষ্য করা যায়। তবে ১২ পৃষ্ঠার দীর্ঘ ফর্মে জমি-জায়গার দলিল, আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ব্যাঙ্কের নথি-সহ যাবতীয় খুঁটিনাটি তথ্য চাওয়ায় সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়েন। মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল মা-বোনেদের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, “বাংলার মা-বোনেদের যদি ফর্ম পূরণ করতে অসুবিধা হয় এবং তাঁরা যদি বদল চান, তবে ফর্মের সরলীকরণ অবশ্যই হবে। কারণ এই প্রকল্প তো আসলে তাঁদের জন্যই।”

তিনি আবেদনকারীদের অসত্য তথ্য না দেওয়ার অনুরোধও করেছেন, কারণ কঠোর যাচাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত গরিব উপভোক্তাদের চিহ্নিত করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, এই ফর্মের মাধ্যমে রাজ্য সরকার নাগরিকদের পরিবার সংক্রান্ত একটি বিস্তারিত তথ্যভাণ্ডার সংগ্রহ করছে। তিনি আরও জানান, ফর্ম অনলাইন ও অফলাইন দুই মাধ্যমেই পূরণ করা যাবে এবং সরকারি আধিকারিকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাহায্য করবেন। বিডিও অফিস, ডিএম অফিস, পুরসভা এবং ওয়ার্ড অফিস থেকেও ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে।