ব্যুরো নিউজ, ২৮ মে ২০২৬ঃ পশ্চিমবঙ্গে সম্প্রতি ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র আবেদনপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই ফর্ম প্রকাশ করেন, যেখানে রাজ্যের নারী-শিশু ও সমাজকল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও উপস্থিত ছিলেন বলে খবরে প্রকাশ। যদিও এই ১২ পাতার আবেদনপত্র এবং তার সঙ্গে জমা দিতে চাওয়া একাধিক নথি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সর্বত্র আলোচনা চলছে যে, এই ফর্ম নির্ভুলভাবে একা পূরণ করা বেশ কঠিন। উপভোক্তা তালিকায় গরমিল ধরা পড়ায়, আবেদনপত্র যাচাই করে তবেই তালিকা চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কেবলমাত্র উপযুক্ত প্রাপকরাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। বিরোধীরা ফর্মে এত বিস্তারিত ও অপ্রাসঙ্গিক তথ্য কেন জানতে চাওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তৃণমূলের এক মুখপাত্রও স্বীকার করেছেন যে, এই ফর্ম পূরণ করা যথেষ্ট সময়সাপেক্ষ ও জটিল, যা অনেকের জন্যই অসুবিধাজনক হবে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ ফর্ম সরলীকরণের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, “সবই সরলীকরণ হবে। যাকে ইচ্ছে দিয়ে দিল, বাংলাদেশিরা নিয়ে গেল, এমন হবে না। আগে জিএসটি নিয়ে জটিলতা ছিল। এখন ভালো হয়েছে।”
সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে জেলায় গ্রাম পঞ্চায়েত (GP) স্তরে সহায়তা শিবির করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং GP কর্মীদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ব্লকের BDO-দের ভিড় নিয়ন্ত্রণ করে সুষ্ঠুভাবে পরিষেবা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়। পাশাপাশি, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না-ঢোকা পর্যন্ত ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্প চালু থাকবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। বাংলা সহায়তা কেন্দ্রগুলি থেকেও ফর্ম পূরণে সহায়তা মিলবে।








