অভিষেক ও কল্যাণের উপর হামলা: বিস্ফোরক মন্তব্য বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের, নতুন বিতর্কের সূত্রপাত

অভিষেক ও কল্যাণের উপর হামলার ঘটনায় সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বিস্ফোরক মন্তব্য। তিনি রাজনৈতিক হিংসার নিন্দা করে তৃণমূল ও বিজেপি উভয় দলকেই দায়ী করেছেন।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৩১ মে ২০২৬ঃ রাজ্য রাজনীতিতে ফের উত্তাপ। পরপর দু’দিন তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগ ঘিরে সরগরম রাজ্য। এই পরিস্থিতিতে মুখ খুলেছেন সিপিএম নেতা ও বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি একদিকে যেমন রাজনৈতিক হিংসার তীব্র নিন্দা করেছেন, তেমনই বর্তমান পরিস্থিতির জন্য শাসক তৃণমূল এবং বিরোধী বিজেপি উভয় দলকেই দায়ী করে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন।

প্রথমে সোনারপুরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্থা ও মারধরের অভিযোগ ওঠে। কাদা ছোড়া, ধাক্কাধাক্কি এমনকি জামা ছিঁড়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করা হয়। এরপর রবিবার আবার তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার খবর সামনে আসে।

এই ঘটনাগুলির পরিপ্রেক্ষিতে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “এভাবে শারীরিক আক্রমণ সুস্থ ও স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড হতে পারে না।” তিনি অভিষেককে ‘যুবরাজ’ সম্বোধন করে গণতান্ত্রিক পরিসরে মতাদর্শের লড়াইয়ের উপর জোর দেন। তবে শুধু নিন্দা করেই থেমে থাকেননি বিকাশরঞ্জন। তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য, “বিজেপি ও তৃণমূল দুটি দলই অন্ধ কমিউনিস্ট বিরোধী আচরণ করে গুন্ডামিকে লালন করেছে, যার পরিণতির কুৎসিত ছবি আজ প্রকাশ পাচ্ছে।”

তাঁর মতে, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে গণতান্ত্রিকভাবে মোকাবিলা না করে ভয় দেখানো, আক্রমণ করা বা হেনস্থা করার সংস্কৃতি ধীরে ধীরে রাজনীতির অঙ্গ হয়ে উঠেছে, যা গণতন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিকাশরঞ্জনের এই মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, যা একদিকে হিংসার বিরুদ্ধে অবস্থান, অন্যদিকে দুই প্রধান দলের কৌশলের সমালোচনা।