ব্যুরো নিউজ, ১ জুন ২০২৬ : রাজ্যে নতুন বিজেপি সরকার গঠিত হওয়ার পর থেকেই টলিউডের চলমান অস্থিরতা নিরসনে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন স্তরের সমস্যা খতিয়ে দেখতে চার তারকা বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী, রুদ্রনীল ঘোষ, রূপা গঙ্গোপাধ্যায় এবং হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের উপর বিশেষ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়।
এই চারজন বিধায়ক স্টুডিয়োপাড়ার কলাকুশলী, শিল্পী ও বিভিন্ন গিল্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করে তাঁদের অভাব-অভিযোগ শোনেন এবং সমাধানের পথ খুঁজতে সরকারের কাছে রিপোর্ট পেশের কাজ করছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে টলিউডে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠা একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কাজ হারানোর অভিযোগ, সংগঠনের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এবং নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। ম্যানেজার গিল্ড থেকে অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর্স গিল্ড, প্রায় সর্বত্রই অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের পর্ব চলছিল। ইম্পা (EIMPA)-র সভাপতি পদ নিয়েও জটিল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এই আবহে সরকারের তরফে চার তারকা বিধায়কের সক্রিয় ভূমিকা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ ছিল।
তবে সোমবার লোক ভবনে আয়োজিত জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে গঠিত রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ ঘিরে যে প্রবল উৎসাহ ছিল, তার মধ্যেই উঠে এল এক ভিন্ন আলোচনা। নতুন ৩৫ জন মন্ত্রীর শপথ গ্রহণের পর দেখা গেল, টলিউড থেকে উঠে আসা এই চার পরিচিত মুখ – রুদ্রনীল ঘোষ, পাপিয়া অধিকারী, রূপা গঙ্গোপাধ্যায় কিংবা হিরণ চট্টোপাধ্যায় – কেউই মন্ত্রিসভায় জায়গা পাননি। এমনকি শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানেও তাঁদের বিশেষভাবে দেখা যায়নি। টলিউডের সমস্যা সমাধানে তাঁদের সক্রিয় ভূমিকার পর এই ঘটনা যথেষ্ট প্রশ্ন তৈরি করেছে, বিশেষত তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের দায়িত্বভার কে নিচ্ছেন, তা নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে।








