ব্যুরো নিউজ, ৩০ মে ২০২৬ : রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তনের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রোগী রেফার ও দালাল চক্র রুখতে কড়া পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেছেন তিনি।
শনিবার বিধাননগর হাসপাতাল থেকে বিনামূল্যে সারভাইক্যাল ক্যান্সারের প্রতিষেধক টিকাকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, জেলা হাসপাতালগুলিতে অনিয়ম রুখতে লাইভ মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা ও একটি কন্ট্রোল রুম তৈরি করা হবে। এই কন্ট্রোল রুম থেকে হাসপাতালগুলিতে দালাল চক্রের উপস্থিতি, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি এবং রোগীদের পরিষেবা প্রাপ্তি সরাসরি নজরদারি করা হবে। রেফার সমস্যা মেটাতে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন। একইসঙ্গে, মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে রাজ্য সরকারের থেকে এক টাকায় জমি নিয়ে গড়ে ওঠা বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে তাদের মোট বেডের ১৫ শতাংশ সাধারণ ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল রোগীদের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে। সরকারি হাসপাতালে চাপ বাড়লে এই রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা দিতে হবে। বহু প্রতীক্ষিত কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প এবার রাজ্যে সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হচ্ছে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, এ বছরের জন্য কেন্দ্র ৯৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে এবং শীঘ্র রাজ্যের ১ কোটি ৩৬ লক্ষ পরিবার ও ৬ কোটি মানুষকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। এই মানুষরা গোটা ভারতেই ৫ লক্ষ টাকার বিমা সুরক্ষা পাবেন। পরিযায়ী শ্রমিকরাও এর সুবিধা পাবেন। হাসপাতালগুলির নাম ‘আয়ুষ্মান মন্দির’ হবে এবং সেখানে সস্তায় ওষুধ মিলবে। রাজ্যে ৪৬৭টি প্রধানমন্ত্রী জনঔষধী কেন্দ্র চালু হবে এবং অমৃত প্রকল্পে ক্যান্সারের ওষুধ ৩০ শতাংশ ভর্তুকিতে পাওয়া যাবে। ন্যাশনাল হেলথ মিশনও এ বছর থেকে কার্যকর হচ্ছে।








