ব্যুরো নিউজ, ২৯ জুন ২০২৬ঃ বিধানসভায় গুন্ডাদমন বিল পেশের পর তা নিয়ে আলোচনা চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এক কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই নতুন আইনের কোনো অপপ্রয়োগ হবে না এবং প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট নিয়ে সাধারণ মানুষের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। মুখ্যমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন যে, এই আইন শুধুমাত্র গুন্ডা ও সমাজবিরোধীদের বিরুদ্ধেই প্রয়োগ করা হবে, নিরীহ মানুষের উপর এর কোনো প্রভাব পড়বে না। এই বিলের মূল উদ্দেশ্য হলো রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরও সুদৃঢ় করা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তবে, তাঁর বক্তব্যে সিএএ এবং ওয়াকফ সংক্রান্ত হিংসার প্রসঙ্গ উঠে আসে।
মুখ্যমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন যে, অতীতে এই ধরনের ঘটনায় হিন্দুদের উপর নির্যাতন ও তাঁদের সম্পত্তি নষ্টের মতো ঘটনা ঘটেছিল। সেইসব ঘটনার উল্লেখ করে তিনি গুন্ডাদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, যারা এই ধরনের হিংসাত্মক ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত, তাদের কোনোভাবেই রেয়াত করা হবে না। এই বিলের মাধ্যমে সমাজবিরোধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন যে, এই আইন শুধুমাত্র খাতায় কলমে সীমাবদ্ধ থাকবে না। গুন্ডাদের কঠোর শাস্তি দিতে দ্রুততার সঙ্গে এবং কার্যকরভাবে এই আইন প্রয়োগ করা হবে।
তিনি প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন যাতে আইন প্রয়োগে কোনো গাফিলতি না থাকে এবং অপরাধীরা কোনোভাবেই আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যেতে না পারে। এই গুন্ডাদমন বিলের মাধ্যমে রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও মজবুত হবে এবং সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে জীবনযাপন করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর এই কড়া অবস্থান রাজ্যের শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে সরকারের দৃঢ় সংকল্পের প্রতিফলন।








