ফলতায় বিজেপির ঐতিহাসিক জয়, ১ লাখ ৮ হাজার ভোটে জিতলেন দেবাশিস পণ্ডা

ফলতার পুনর্নির্বাচনে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়। ১ লাখ ৮ হাজার ভোটে জিতলেন দেবাশিস পণ্ডা। তৃণমূলের 'পুষ্পা'র অনুপস্থিতিতে সিপিএম দ্বিতীয়, কংগ্রেস তৃতীয়।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২৪ মে ২০২৬ : ক্ষমতা বদলের পর ফলতার পুনর্নির্বাচনে বিজেপির জয়জয়কার। ১ লাখ ৮ হাজার ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়ী হলেন বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস পণ্ডা। এই ফলাফলের মাধ্যমে বিধানসভায় বিজেপির আসন সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২০৮। এক সময় যে এলাকা তৃণমূলের দুর্গ বলে পরিচিত ছিল, সেখানে তাদের প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান ওরফে ‘পুষ্পা’র ভোটের ময়দান থেকে সরে দাঁড়ানোয় কার্যত ফাঁকা মাঠে গোল দিল গেরুয়া শিবির।

গত মাসে বিধানসভা ভোটের সময় ফলতায় ইভিএম-এ অনিয়মের অভিযোগে পুনর্নির্বাচনের ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের ক্ষমতা পরিবর্তনের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে ফলতার পুনর্নির্বাচন ঘিরে কোনো উত্তাপ দেখা যায়নি। এমনকি ভোটের দিন বা ফল প্রকাশের দিনেও তৃণমূলের কোনো এজেন্টকে দেখা যায়নি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শেষ মুহূর্তের প্রচারে এক লাখ ভোটে জেতার লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছিলেন, ফলতাবাসী সেই কথা রাখলেন। গণনা শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রথম রাউন্ড থেকে এগিয়ে ছিলেন বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস পণ্ডা। ফলপ্রকাশের পর দেখা যায়, তিনি ১ লাখ ৮ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে সিপিএম সমর্থিত প্রার্থী শম্ভুনাথ কুড়মি, যিনি পেয়েছেন প্রায় ৪০ হাজার ৫০০ ভোট। কংগ্রেস প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা পেয়েছেন প্রায় ১০ হাজার ভোট।

অন্যদিকে, গত লোকসভা ভোটে ফলতায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার ভোটে এগিয়ে থাকা তৃণমূলের জাহাঙ্গীর খান এবার পেয়েছেন মাত্র সাড়ে ৭ হাজার ভোট। এই ফল রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সিপিএম এই ভোটকে সাংগঠনিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখছে।