ইলিশ খাওয়াতে পকেট ফাকা শ্বশুরের

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২০ জুন ২০২৬ঃ ২০২৬ সালের জামাই ষষ্ঠীর বাজারে রূপোলি ছ্যাঁকা দিয়ে ইলিশের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে উঠেছে। জোগান কম এবং চাহিদা তুঙ্গে থাকায় কলকাতার বিভিন্ন বাজারে ওজনের ভিত্তিতে প্রতি কেজি ইলিশ ১২০০ থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হয়েছে। শেষ বেলায় চলতি বছরের জামাই ষষ্ঠীর ইলিশ বাজারের বিস্তারিত আপডেট নিচে দেওয়া হলো:

বাজারে ইলিশের জোগান ও রকমফেরটাটকা ইলিশের অভাব: এবার ফরাক্কার গঙ্গায় এখনও পর্যাপ্ত নতুন ইলিশ ওঠেনি। ফলে বর্ষার একদম টাটকা ইলিশ বাজারে বেশ কম।

হিমঘর ও ভিনরাজ্যের মাছ: কলকাতার অধিকাংশ বাজারে হিমঘরে জমানো (ফ্রোজেন) ইলিশ এবং গুজরাত বা মুম্বই থেকে আসা ইলিশের ওপরই ভরসা করতে হচ্ছে।

মায়ানমার ও স্থানীয় ইলিশ: উত্তরবঙ্গ বা জলপাইগুড়ির বাজারে বাংলাদেশের ইলিশ না এলেও মায়ানমার (বর্মা ইলিশ) এবং ডায়মন্ড হারবারের ইলিশের জোগান দেখা যাচ্ছে। তবে বর্মা ইলিশের তুলনায় আমাদের স্থানীয় বা বাংলা ইলিশের দাম কিছুটা কম।

ত্রিপুরার বাজারে চাঁদপুরের ইলিশ: আগরতলা সংলগ্ন কিছু সীমান্ত বাজারে বাংলাদেশের চাঁদপুরের ইলিশের দেখা মিলেছে, যার চাহিদা অত্যন্ত বেশি। ওজনের ভিত্তিতে আনুমানিক বাজারদর (খুচরো ও পাইকারি গড়)ছোট সাইজের ইলিশ (৫০০ গ্রাম পর্যন্ত): প্রতি কেজি প্রায় ৮০০ টাকা। মাঝারি সাইজের ইলিশ (৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম): প্রতি কেজি প্রায় ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা।
বড় সাইজের ইলিশ (১ কেজি বা তার বেশি): প্রতি কেজি প্রায় ১৫০০ থেকে ১৮০০ টাকা।

ইলিশের পাশাপাশি গলদা চিংড়ি, পাবদা এবং পাঁঠার মাংসের দামও জামাই ষষ্ঠী উপলক্ষে বেশ চড়া। তবে পকেটের টান উপেক্ষা করেই জামাই আদরে রূপোলি শস্য কিনতে শ্বশুরমশাইরা বাজারের মাছের দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন।