দাঁত তুলতে গিয়ে মৃত্যু ৩৯ বছরের মহিলার, চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ, পলাতক ডাক্তার

হরিদেবপুরে দাঁত তুলতে গিয়ে ৩৯ বছরের মহিলার মৃত্যু। চিকিৎসকের গাফিলতির অভিযোগ, পলাতক ডাক্তার। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষা।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৬ অক্টোবর ২০২৬: দাঁত তুলতে গিয়ে ডাক্তারখানাতেই মৃত্যু হল ৩৯ বছরের এক মহিলার। হরিদেবপুরের লোহার পোল সোনার বাংলা এলাকার বাসিন্দা মনীষা হালদার মঙ্গলবার সকালে এলাকারই এক দাঁতের ডাক্তারখানায় দাঁত তুলতে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেখানেই চিকিৎসকের গাফিলতিতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত চিকিৎসক শ্যামল গায়েন। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ মনীষা হালদার তাঁর চায়ের দোকান বন্ধ করে ডাক্তার শ্যামল গায়েনের ডেন্টাল ক্লিনিকে দাঁত তুলতে যান। দুপুর দেড়টা নাগাদ তাঁর বাড়িতে খবর দেওয়া হয় যে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। প্রতিবেশীদের অভিযোগ, খবর পেয়ে তাঁরা যখন ডাক্তারখানায় পৌঁছন, তখন মনীষা অচৈতন্য অবস্থায় মেঝেতে পড়েছিলেন। তখনও পর্যন্ত ডাক্তার অ্যাম্বুলেন্স বা অন্য কোনও জরুরি পরিষেবায় খবর দেননি। পরে অ্যাম্বুলেন্স ডেকে মনীষাকে স্থানীয় একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃতার প্রতিবেশীরা চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন এবং জানিয়েছেন, ডাক্তার শ্যামল গায়েন ঘটনার পর থেকেই পলাতক। পুলিশ সূত্রে খবর, হরিদেবপুর থানার পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য এম আর বাঙুর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। মহিলা শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন নাকি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই দাঁত তোলার ফলেই মৃত্যু হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।