ব্যুরো নিউজ, ৩০ মে ২০২৬ঃ রাজ্যের মহিলাদের জন্য চালু হওয়া লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে প্রতারণার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই প্রকল্পের টাকা পুরুষদের অ্যাকাউন্টে ঢোকার পাশাপাশি সেই অর্থের অর্ধেক কাটমানি হিসেবে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি বহরমপুরের রাধারঘাটের শিয়ালমারার বাসিন্দা রাকিবুল শেখকে গ্রেফতার করার পর তদন্তে উঠে আসে মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ থানার মুস্তাফিজুর রহমানের নাম।
পুলিশ সূত্রে খবর, মুস্তাফিজুরই রাকিবুলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলে দিয়েছিলেন, যেখানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকত। জেরায় রাকিবুল দাবি করেন, প্রতি মাসে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রাপ্ত টাকার অর্ধেক মুস্তাফিজুরকে দিতে হত। এই বিস্ফোরক তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মুস্তাফিজুরকে খুঁজতে শুরু করে এবং অবশেষে তাকে রঘুনাথগঞ্জ থেকে আরও দুইজনের সঙ্গে গ্রেফতার করে। অভিযোগ, রাকিবুল শেখের তিনটি অ্যাকাউন্টে এই বেআইনি অর্থ ঢুকত এবং তার অর্ধেক ভাগ মুস্তাফিজুরকে দেওয়া হত। শুক্রবার ধৃতদের বহরমপুর আদালতে পেশ করা হয়েছে। এই ঘটনায় বহরমপুর থানার পুলিশ পৃথক তদন্ত শুরু করেছে।
প্রসঙ্গত, নবান্নে অন্নপূর্ণা প্রকল্পের ফর্ম নিয়ে ঘোষণা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে এই অনিয়মের অভিযোগ তুলেছিলেন। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর তালিকা যাচাইয়ের কাজ শুরু হতেই এই ধরনের ঘটনা সামনে আসছে। হুগলির রিষড়াতেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে।








