ব্যুরো নিউজ, ৮ অক্টোবর ২০২৬: মালদার বন্যা ও ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, বন্যা ও ভাঙনে সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিকদের ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির জন্য দেওয়া হবে ৯০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রায় ২৪২ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মানিকচক, রতুয়া ও ইংরেজবাজারের ২৪,৫৯৫ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে এই ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। পুজোর আগেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য নতুন পোশাক, মশারি-সহ ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে ২১টি ত্রাণশিবির ও রান্নাঘর চালু রয়েছে, যেখানে প্রতিদিন ৮,১০০ মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুর্যোগের সময় স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছে চিকিৎসা পরিষেবা দিয়েছেন এবং ভুতনি দিয়ারা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রও ফের চালু করা হয়েছে। আগের সরকারগুলির সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গত ৫০ বছর ধরে যারা এই রাজ্যে শাসন করেছেন, তাঁরা মালদার এই সমস্যার সমাধান করেননি। তিনি প্রথম দিন থেকেই যোগাযোগে ছিলেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে সচেষ্ট। মালদা-মুর্শিদাবাদের বন্যা-ভাঙনের স্থায়ী সমাধানে IIT কানপুরকে DPR তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে NABARD ও ADB-র কাছ থেকেও অর্থ নেওয়া হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। মালদা-মুর্শিদাবাদের জন্য কেন্দ্রের কাছে ৩,৩০০ কোটি টাকার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। মহালয়া ও ষষ্ঠীর আগেই মালদায় ১,২৪৮ কিলোমিটার রাস্তার গর্ত মেরামতের ঘোষণা করেন তিনি।








