ব্যুরো নিউজ,২৯ আগস্ট: ‘মন্ত্রিত্ব ঠিকমতো চালাতে না পারলে আমি আপনার কাছ থেকে দপ্তর ফেরত নিয়ে নেব’। ঠিক এমন ভাবেই মন্ত্রিসভার বৈঠকে রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের উদ্দেশ্যে। বললেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে একাধিক দপ্তর নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।
জিন্সে দেওয়া ছোট পকেটটি দেওয়ার উদ্দেশ্য কি?আসুন জেনে নিই
কড়া ধমক আরও অনেককে
তিনি বলেন রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে তার কাছে রিপোর্ট আসছে। আইন, পঞ্চায়েত, জনস্বাস্থ্য কারিগরি,সেচ দপ্তর কোন কাজই করছেনা। না হচ্ছে রাস্তা সরানো না হচ্ছে আইনের যথাযথ সংস্কার বা বিভিন্ন মামলার দেখভাল। এভাবেই মুখ্যমন্ত্রীর রোষের মুখে পড়লেন মলয় ঘটক থেকে পুলক রায়। মুখ্যমন্ত্রীর তোপের মুখে জনস্বাস্থ্য কারিগরি অপুর্ত মন্ত্রী পুলক রায়কে লক্ষ্য করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন কি করছো তুমি? বর্ধমানে নানা অভিযোগ রয়েছে PHE দপ্তরের কাজ নিয়ে। সেখানে রাস্তা সারাই হচ্ছে না। সাধারণ মানুষ অভিযোগের পর অভিযোগ জমা দিচ্ছে অথচ রাজ্য মন্ত্রী সভা নিরব। পঞ্চায়েত মন্ত্রী সেসব দেখছেন না। পরিষেবা ব্যাহত হলে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন মমতা। একই সঙ্গে তিনি সেচ দপ্তরের কাজেও যথেষ্ট বিরক্তি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন সামনে বর্ষা আরো যদি তীব্র হয় তাহলে জল জমা আরো বাড়বে। রাজ্যের মানুষ ও শহরের ভোগান্তি বাড়বে। সে ব্যাপারে আগাম ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল।
‘স্ত্রী ২’ মুক্তির সাফল্যের শিখরে রয়েছে অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুর
ওই বৈঠকে পুলিশ দমকল সহ চারটি দপ্তরে 673 জন লোক নেওয়ার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী এর মধ্যে রাজ্য পুলিশের ৪৯৪ জন নতুন সাব-ইন্সপেক্টর। আর দমকল বিভাগে নেওয়া হবে ১২২ জনকে। তিনি জানান পশ্চিমবঙ্গে যে সমস্ত শ্রমিক উড়িষ্যায় কাজে গিয়ে হেনস্থার মুখে পড়েছে তাদের বিষয়ে কোনো সমাধান হয়নি তিনি বিষয়টি নিয়ে উড়িষ্যার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝিকে ফোন করেন। কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি। সেখানে বাংলাদেশী সন্দেহে বিভিন্ন পেশায় নিযুক্ত এমনকি পরিযাই শ্রমিকদেরও আবার ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। তাদের প্যান ভোটার আধার দেখিও কাজ হয়নি। বিষয়টি নিয়ে তিনি রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী কে উড়িষ্যার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে কথা বলার নির্দেশ দিয়েছেন। বিজেপির ডাকা নবান্ন অভিযান ঠেকাতে পুলিশের ভূমিকা প্রশংসা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন পুলিশ সংযম দেখিয়েছে কিন্তু সেখানে যে যথেষ্ট পুলিশ ছিল না সে কোথাও পরোক্ষে কবুল করেছেন আর সেজন্যই আরো কিছু পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর নিয়োগের ওপর জোর দিয়েছেন। দমকল বাহিনীতেও আরো কয়েকজন না নিলে জলকামান চালানো বা দমকল সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করা যাবে না। বলে পরোক্ষে বুঝিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
https://www.youtube.com/live/bqpgOpoNgb0?si=LSfKWLUa3bCShXwK








