ব্যুরো নিউজ, ১৪ জুন ২০২৬ঃ তৃণমূল কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙন দেখা গেল, দলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ যোগ দিলেন ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ (এনসিপিআই)-তে। লোকসভায় পৃথক সংসদীয় দল বা ব্লক গঠনের ক্ষেত্রে যে সমস্ত আইনি ও প্রযুক্তিগত জটিলতা রয়েছে, তা এড়াতেই এই পদক্ষেপ বলে জানা গেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের জন্য এটি এক বিরাট ধাক্কা বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। রবিবার দিল্লিতে এই রাজনৈতিক তৎপরতা এক নজিরবিহীন মাত্রা পায়।
এদিন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বাসভবনে যাওয়ার আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সরকারি বাসভবনে গিয়ে হাজির হন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। এই হাই-প্রোফাইল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়, অরূপ চক্রবর্তী, সায়নী ঘোষ, মালা রায়, বাপি হালদার এবং প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় ছিল বিজেপির প্রভাবশালী লোকসভা সাংসদ নিশিকান্ত দুবের উপস্থিতি, যা বিদ্রোহীদের সঙ্গে বিজেপির অন্দরের বোঝাপড়ার চূড়ান্ত ইঙ্গিত দেয়। নির্বাচন কমিশনের নথি অনুযায়ী, এনসিপিআই বর্তমানে একটি অস্বীকৃত রাজনৈতিক দল হিসেবে তালিকাভুক্ত।
যদিও ২০২৩ সালের ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে এই দলের উপস্থিতি দেখা গিয়েছিল, তবে তারা উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারেনি। সূত্রের খবর, এই নতুন দলের মূল রাজনৈতিক ভরকেন্দ্র হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ, অসম এবং ত্রিপুরা এবং তারা বিজেপির নেতৃত্বাধীন শাসকজোট এনডিএ-কেই সমর্থন করবে। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই তৃণমূলের মধ্যে যে তীব্র অসন্তোষ দানা বেঁধেছিল, রবিবারের এই ঘটনা তাকে কার্যত বিস্ফোরণের মুখে দাঁড় করিয়ে দিল।








