ব্যুরো নিউজ, ২০ জুন ২০২৬ঃ রাজ্যে প্রতিবাদের নামে ট্রেন অবরোধ করলেই এবার কড়া আইনি পদক্ষেপের মুখে পড়তে হবে অবরোধকারীদের। ভারতীয় রেল আইন (১৯৮৯)-এর ১৭৪ ধারা অনুযায়ী, ট্রেন চলাচলে বাধা সৃষ্টি করলে ২ বছর পর্যন্ত জেল, ২ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের ঘোষণার পর রেল ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে এই আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সম্প্রতি রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে রাজ্যে রেলের বিভিন্ন প্রকল্পে ১ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগের ঘোষণা করা হয়।
এই আবহে আইন-শৃঙ্খলা ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ। রেললাইনে বসে থাকা, হোস পাইপ নষ্ট করা বা প্রয়োজনীয় সিগনালিং সরঞ্জামের ক্ষতি করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। পূর্ব রেলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত অর্থবর্ষে ২৯টি রেল অবরোধের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে শিয়ালদহ ডিভিশনেই ২২টি অবরোধ ঘটেছে, যা দেশের অন্যতম ব্যস্ত এই ডিভিশনে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগে ফেলেছে। এছাড়াও মালদহ (৪টি), হাওড়া (২টি) এবং আসানসোল (একটি) ডিভিশনেও অবরোধের ঘটনা ঘটেছে।
নবান্নের শীর্ষ আমলারা জানিয়েছেন, আম জনতার দুর্ভোগ বাড়িয়ে প্রতিবাদ-অবরোধ করলে তা অত্যন্ত কড়াভাবে মোকাবিলা করা হবে। বিগত সরকারের আমলে সিএএ বিরোধী আন্দোলনের সময় রেলের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করা হয়েছিল। নতুন সরকার পুলিশ-প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার স্বাধীনতা দিয়েছে এবং রেলের সঙ্গে সমন্বয় রেখে চলার পরামর্শ দিয়েছে।








