তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের নতুন ঠিকানা: NCPI ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য

তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের নতুন রাজনৈতিক ঠিকানা এখন ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (NCPI)। এই নতুন দল ও তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ১৪ জুন ২০২৬ঃ তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের নতুন রাজনৈতিক ঠিকানা এখন ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (NCPI)। কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, সায়নী ঘোষ-সহ ২০ জন সাংসদের এই নতুন দল ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। যদিও নির্বাচন কমিশনের নথিতে দলটির সংক্ষিপ্ত নাম হিসেবে রয়েছে NCPN, যা একটি অসঙ্গতি তৈরি করেছে এবং প্রশ্ন তুলেছে এর কার্যকারিতা নিয়ে।

দিল্লিতে বৈঠকের পর অরূপ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গেও এই দলের পার্টি অফিস খোলা হবে। তবে এই NCPI দলটি সম্পর্কে অধিকাংশ রাজনৈতিক নেতা বা সাধারণ মানুষ, এমনকি ত্রিপুরার অভিজ্ঞ নেতারাও আগে শোনেননি। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া একটি রেজিস্টার্ড আনরেকগনাইজড পলিটিক্যাল পার্টি (RUPP) হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়। দলটির নিবন্ধিত ঠিকানা পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলায়। এটি প্রমাণ করে যে, রাজনৈতিক মঞ্চে দলটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা খুবই সাম্প্রতিক।

২০২৩ সালের ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে NCPI দুটি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল – কৈলাসহর এবং চউমানু। কৈলাসহরে জাহাঙ্গির আলি ২৮৬ ভোট এবং চউমানুতে বড়জেদা ত্রিপুরা ৫৩৬ ভোট পান। উভয় আসনেই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। দলটির প্রতীক হল কলমের নিব ও সাতটি রশ্মি। হঠাৎ করে আলোচনায় উঠে আসা এই দলটি কি ভবিষ্যতে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বড় শক্তি হয়ে উঠবে, নাকি এটি শুধুমাত্র বিদ্রোহী সাংসদদের একটি অস্থায়ী রাজনৈতিক আশ্রয়, এখন সেদিকেই তীক্ষ্ণ নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল। এই নতুন জোটের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব কী হতে পারে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।